সর্বশেষ

বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬

এলাকার কৃতি সন্তান মোঃ হাসান আলী #সজল (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী)

এলাকার কৃতি সন্তান মোঃ হাসান আলী #সজল (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী)

 আগামীকাল ২৯ জুন, সোমবার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের #বাজেট পাস প্রসঙ্গে অভিজ্ঞতা অর্জন ও দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক গবেষণার জন্য জাতীয় #সংসদে মাননীয় স্পিকারের নিকট হতে নানা জটিলতার মধ্য দিয়ে উপস্থিত থাকার অনুমতি পেয়েছে। #মির্জাপুরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ #বাবলুর রহমানের পুত্র এবং এলাকার কৃতি সন্তান মোঃ হাসান আলী #সজল (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী) এছাড়াও তার সাথে উপস্থিত থাকবে তার আরো কয়েকজন সহপাঠী,শিক্ষক ও রাবির অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান ড.এ.এন.কে নোমান। তার জন্য শুভকামনা রইল।


সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬

২৪ ঘন্টার ব্যবধানে Intel এর ১৭% শেয়ার দরের পতন হয়েছে

২৪ ঘন্টার ব্যবধানে Intel এর ১৭% শেয়ার দরের পতন হয়েছে

 ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে Intel এর মতো টেক জায়ান্ট কোম্পানির প্রায় ১৭% শেয়ার দরের পতন হয়েছে। কেন একটা বিলিয়ন ডলার ইন্ডাস্ট্রির কোম্পানি এভাবে আস্থাহীনতার শিকার হলো? 


এই প্রশ্নের উত্তরই ইন্টারনেট জুড়ে খোঁজার চেষ্টা করতেছিলাম। এর মাঝে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটা সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ খেয়াল করলাম যেইটা টেক ইন্ডাস্ট্রির বর্তমান জিওপলিটিক্যাল এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডাইনামিক্স বোঝার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর্টিকেলের মূল প্রতিপাদ্য "Intel Problems Trump Bump" । ওয়াশিংটনের পলিটিক্যাল হাওয়াবদল বা ট্রাম্প প্রশাসনের সম্ভাব্য প্রটেকশনিস্ট পলিসি হয়তো স্টক মার্কেটে সাময়িক চাঙ্গাভাব বা Bump তৈরি করতে পারে, কিন্তু Intel এর ফান্ডামেন্টাল এবং স্ট্রাকচারাল সমস্যাগুলো এর চেয়েও অনেক গভীরে আছে।


সেমিকন্ডাক্টর ইকোসিস্টেম নিয়ে যারা খোঁজখবর রাখেন, তারা জানেন যে Intel এর বর্তমান সংকট নিছক পলিসি বা ফান্ডিং এর অভাব নয়, বরং এইটা একটা দীর্ঘমেয়াদী এক্সিকিউশন গ্যাপ এর ফলাফল। NVIDIA যখন AI Computing এবং GPU আর্কিটেকচারে একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করছে এবং TSMC যখন ম্যানুফ্যাকচারিং প্রসেস বা লিথোগ্রাফিতে নতুন স্ট্যান্ডার্ড সেট করছে, Intel তখন নিজেদের লিগ্যাসি বিজনেস মডেল এবং ফাউন্ড্রি সমস্যার জট খুলতেই ব্যস্ত। ট্রাম্পের ট্যারিফ পলিসি হয়তো ইম্পোর্টেড চিপের ওপর শুল্ক বসিয়ে ডোমেস্টিক মার্কেটকে কিছুটা সুবিধা দিতে পারে, কিন্তু পলিসি দিয়ে তো আর সিলিকন Yield Rate বা প্রসেসর এফিশিয়েন্সি বাড়ানো সম্ভব নয়।



ইনটেলের জন্য এখনকার সময়টা "মেক অর ব্রেক" এর মতো হয়ে গেছে। তাদের IDM 2.0 স্ট্র্যাটেজি এবং ভবিষ্যৎ নির্ধারণকারী 18A প্রসেস নোড যদি টেকনিক্যালি এবং কমার্শিয়ালি সফল না হয়, তবে কোনো পরিমাণ সরকারি ভর্তুকি বা রাজনৈতিক আনুকূল্য এই জায়ান্টকে দীর্ঘমেয়াদে প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখতে পারবে না। ইনভেস্টররা হয়তো সেন্টিমেন্টের ওপর ভিত্তি করে আশবাদী হতে পারেন, কিন্তু ইঞ্জিনিয়ারিং রিয়েলিটি বলছে রিকভারির পথটা বেশ জটিল।


আমেরিকার ন্যাশনাল সিকিউরিটির জন্য হয়তো ইনটেলকে রাষ্ট্রীয়ভাবে বাঁচিয়ে রাখা হবে, কিন্তু সিলিকন ভ্যালির নিষ্ঠুর প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য পলিটিক্যাল ব্যাকআপ যথেষ্ট নয়, দরকার পিওর ইনোভেশন। এখন সামনে দেখার বিষয়, ইনটেল প্রযুক্তির এই দৌড়ে নিজেকে রি-ইনভেন্ট করে লিডারশিপ পুনরুদ্ধার করতে পারে, নাকি তারা ধীরে ধীরে কেবল একটা রাষ্ট্র সমর্থিত ম্যানুফ্যাকচারিং ব্যাকআপেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে।

বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

টাঙ্গাইল মির্জাপুরে স্ত্রীকে গোপনে তালাক দিয়ে প্রবাসে পালানো নাজিম দেওয়ান তিন বছর পর গ্রে প্তার!

টাঙ্গাইল মির্জাপুরে স্ত্রীকে গোপনে তালাক দিয়ে প্রবাসে পালানো নাজিম দেওয়ান তিন বছর পর গ্রে প্তার!

 টাঙ্গাইল মির্জাপুরে স্ত্রীকে গোপনে তালাক দিয়ে প্রবাসে পালানো নাজিম দেওয়ান তিন বছর পর গ্রে প্তার! 



স্ত্রীকে গোপনে তালাক দিয়ে তিন বছরের কন্যাসন্তানকে ফেলে রেখে আত্মগোপনে থেকে সিঙ্গাপুরে অবস্থান করা নাজিম দেওয়ানকে তিন বছর পর গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পৌরসভার ইউনিয়নপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ভুক্তভোগী পরিবার ও মাম লা সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালে পারিবারিকভাবে নাজিম দেওয়ান ও ফাহিমা আক্তারের বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনের পাঁচ বছর পর ২০২২ সালে কোনো কারণ না জানিয়ে স্ত্রীকে গোপনে তালাক দেন নাজিম। সে সময় তাদের একমাত্র কন্যাসন্তানের বয়স ছিল মাত্র তিন বছর। তালাক দেওয়ার পরপরই নাজিম সিঙ্গাপুরে চলে যান এবং স্ত্রী ও সন্তানের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরবর্তীতে অসহায় ফাহিমা আক্তার নিজের ও সন্তানের ভরণপোষণ না দেওয়ার অভিযোগে মির্জাপুর পারিবারিক আদালতে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত নাজিম দেওয়ানকে ভরণপোষণ, দেনমোহর ও খোরপোষ বাবদ মোট ৪ লাখ ৮৯ হাজার ৫০০ টাকা পরিশোধের রায় দেন এবং ডিক্রি জারি করেন। রায় ঘোষণার সময় আদালতে অনুপস্থিত থাকায় বিচারক তার বিরুদ্ধে গ্রে প্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গ্রেপ্তা রি পরোয়ানা জারির পরও নাজিম দেওয়ান একাধিকবার দেশে এলেও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পুলিশের নজর এড়িয়ে চলছিলেন। সম্প্রতি তিনি পুনরায় দেশে ফিরলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে 

গ্রে প্তার করে। গ্রেপ্তা রকৃত নাজিম দেওয়ান উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের লতিফপুর গ্রামের মৃত বারেক দেওয়ানের ছেলে। ভুক্তভোগী ফাহিমা আক্তার বলেন, “তালাক দিয়ে চলে যাওয়ার পর থেকে আমি আমার মেয়েকে নিয়ে চরম অবহেলা ও মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। এত বছরেও সে আমাদের কোনো খোঁজ নেয়নি।” মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রে প্তারকৃত নাজিম দেওয়ানকে সোমবার দুপুরেই আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জাপান প্রতি সেকেন্ডে রেকর্ড ১.০২ পেটাবিট ইন্টারনেট স্পিড অর্জন করেছে।

জাপান প্রতি সেকেন্ডে রেকর্ড ১.০২ পেটাবিট ইন্টারনেট স্পিড অর্জন করেছে।

 জাপান প্রতি সেকেন্ডে রেকর্ড ১.০২ পেটাবিট ইন্টারনেট স্পিড অর্জন করেছে। এই স্পিডে মাত্র ১ সেকেন্ডেই পুরো নেটফ্লিক্সের ভিডিও ডাউনলোড করা সম্ভব। 



বর্তামানে জাপান হলো বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত গতির ইন্টারনেটের দেশ। গবেষকরা প্রতি সেকেন্ডে ১.০২ পেটাবিটের অসাধারণ গতি অর্জন করেছেন। যা চোখের পলকে পুরো নেটফ্লিক্স লাইব্রেরি ডাউনলোড করার জন্য যথেষ্ট দ্রুত।


আজ শুক্রবার (১১ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি। 


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উচ্চগতির রেল নেটওয়ার্ক, সেরা বিমানবন্দর ও ভূমিকম্প প্রতিরোধী ভবনের সঙ্গে জাপান তার অবকাঠামোগত উন্নতিতে আরো এক ধাপ এগিয়ে গেছে। এটি এখন বিশ্বের দ্রুততম ইন্টারনেটের দেশ। 


জাপানের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশনস টেকনোলজির (এনআইসিটি) একটি প্রতিবেদন অনুসারে, দেশটির ইন্টারনেট ওয়েব ব্রাউজিং ও ডাউনলোডের গতি যুক্তরাষ্ট্রের গড় ইন্টারনেট গতির চেয়ে ৩৫ লাখ গুণ বেশি।


সুমিতোমো ইলেকট্রিক ও ইউরোপীয় অংশীদারদের সহযোগিতায় এনআইসিটির ফোটোনিক নেটওয়ার্ক ল্যাবরেটরি দল, বিশ্বের দ্রুততম ইন্টারনেট উদ্ভাবন করেছে। এ ইন্টারনেট ১৯ কোর বিশিষ্ট একটি বিশেষ ফাইবার অপটিক কেবল ব্যবহার করে প্রতি সেকেন্ডে ১ হাজার ৮০৮ কিলোমিটার বেগে ডেটা পাঠাতে পারে।


ওই প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, সুমিতোমো ইলেকট্রিক অপটিক্যাল ফাইবার কেবলটি ডিজাইন করেছে ও এনআইসিটি একটি আন্তর্জাতিক দলের সহযোগিতায় ট্রান্সমিশন সিস্টেমটি তৈরি করেছে।


এনআইসিটির গবেষকরা ট্রান্সমিটার, রিসিভার ও ৮৬.১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ১৯টি লুপিং সার্কিট ব্যবহার করেছেন। এই লুপের মধ্য দিয়ে সংকেতগুলো রেকর্ড গতিতে ২১ বার মোট ১ হাজার ৮০৮ কিলোমিটার অতিক্রম করেছে ও ১৮০টি ডেটা স্ট্রিম বহন করেছে বলে এনডিটিভির ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। 


গ্যাজেটের তথ্য অনুসারে জানা যায়, জাপানের নতুন ইন্টারনেট গতির মাধ্যমে প্রায় ১০০ গিগাবাইট জায়গা দখল করা পুরো ইংরেজি উইকিপিডিয়া এক সেকেন্ডে ১০ হাজার বার ডাউনলোড করা যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া এক সেকেন্ডের মধ্যে ৮ কে মানের ভিডিও ডাউনলোড করা সম্ভব হবে। অপটিক ফাইবার কেবলটি ০.১২৫ মিলিমিটার পুরু, যা আমাদের বর্তমান ইন্টারনেট অবকাঠামোতে ব্যবহৃত তারের মতোই আকারের।

সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

ভাঙ্গুড়ায় সাংবাদিকের ওপর সেই হামলাকারীসহ দুই ছাত্রলীগকর্মী গ্রেফতার

ভাঙ্গুড়ায় সাংবাদিকের ওপর সেই হামলাকারীসহ দুই ছাত্রলীগকর্মী গ্রেফতার

 ভাঙ্গুড়ায় সাংবাদিকের ওপর সেই হামলাকারীসহ দুই ছাত্রলীগকর্মী গ্রেফতার

°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°


পাবনার ভাঙ্গুড়ায় দৈনিক খোলা কাগজের প্রতিনিধি সাংবাদিক মানিকের ওপর সেই হামলাকারী বায়োজিদসহ দুই নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 


এরআগে নকল দুধ তৈরির সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিক মানিকের ওপর হামলার চালিয়ে তার পা ভেঙে দেয় বায়োজিদসহ কয়েকজন দুর্বৃত্ত। 



রবিবার রাতে উপজেলার পৃথক পৃথক এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। সোমবার সকালে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে পাবনা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


বায়োজিদ উপজেলার দিলপাশার ইউনিয়নের পুঁইবিল গ্রামের মো. মহসিন আলীর ছেলে। তিনি পাবনা-৩ আসনের (আওয়ামী লীগ) সাবেক সাংসদ মকবুল হোসেনের আত্মীয় ও উপজেলা ছাত্রলীগের কর্মী। অপরজন সুমন হোসেন উপজেলার পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের পাথরঘাটা গ্রামের আয়েজউদ্দিন মানিকের (কসাই) ছেলে ও কলেজ ছাত্রলীগ কর্মী। 


এরআগে গত ১১ মে গভীর রাতে অষ্টমনিষা ইউনিয়ন বিএনপি অফিসের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। পরদিন এ ঘটনায় অষ্টমনিষার বিএনপি কর্মী ময়ছের আলী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ১৮ নেতাকর্মীসহ অজ্ঞাত ৪০/৫০ জনকে আসামি করা হয়।


ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মোস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।


তিনি বলেন, বিস্ফোরক মামলায় পৃথক অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত দুই কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে সোমবার দুপুরে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

মির্জাপুর বাজারের সন্ত্রাসী নয়ন শিক্ষক পরিবারের সবার উপর হামলা চালায়।

মির্জাপুর বাজারের সন্ত্রাসী নয়ন শিক্ষক পরিবারের সবার উপর হামলা চালায়।

মির্জাপুর বাজারের সন্ত্রাসী #নয়ন (পিতা আঃ কুদ্দুস) এর দ্বারা আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক কে.এম. জাহাঙ্গীর কবির স্যার এবং তার পরিবার কিভাবে হামলার স্বীকার হয় তার বিস্তারিত দেখুন ভিডিও তে।

গত ১৩/১২/২০২৫ রোজ-শনিবার,আনুমানিক সকাল সারে ৮ টার দিকে সন্ত্রাসী #নয়ন,নয়নের বাবা-কুদ্দুস,নয়নের মা- নাজমা,নয়নের তিন বোন- নিশা,টুকটুকি ও বিথী সবাই মিলে

জাহাঙ্গীর স্যার এবং তার স্ত্রী মোছাঃ লিনা পারভীন(প্রধান শিক্ষক,আলীচক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়) সহ স্যারের পরিবারের সবার উপর হামলা চালায়।সম্ভবত হামলাকারীরা-স্যার এবং তার পরিবারকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্য নিয়েই এ হামলা চালিয়েছিলো।



দুঃখজনক হলেও সত্য এতো বড় একটা সন্ত্রাসী হামলা করার পরেও আসামিরা এখনও অবাধে নিরদ্বিধায় বাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছে।আর ওদিকে স্যারের স্ত্রী মাথায় অনেকগুলো সেলাই নিয়ে হাসপাতালের বেডে শুয়ে কাতরাচ্ছেন😥

প্রশাসন এখনও কেন যে অপরাধীদের আটকাচ্ছেন না তা আমার বোধগম্য নয়।



আমার দাবী এবং এলাকাবাসীর দাবি খুব তাড়াতাড়ি আসামিদের ধরে স্যার ও স্যারের পরিবার সহ মির্জাপুর বাসী সবাইকে নিরাপত্তার ব্যাবস্থা করুন।

দরকার হলে আমার এর বিচারের জন্য রাস্তায় দ্বাড়াবো,দরকার পরলে মানববন্ধন করবো।

আরো একবার প্রশাসনের কাছে অনুরোধ,

আমারা সবাই এর সুষ্ঠু বিচার চাই 🙋‍♂️

আর সবার কাছে অনুরোধ রইলো ভিডিও টা শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন যেন প্রশাসনের নজরে খুব ভালোভাবে আসে👍

শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫

ক্যান্সার আক্রান্ত স্বামীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যার অভিযোগ

ক্যান্সার আক্রান্ত স্বামীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যার অভিযোগ

১০ দিন পর গ্রেপ্তার স্ত্রী ও তার প্রেমিক

ঘুমের ওষুধ খাইয়ে স্বামীকে হত্যার অভিযোগ 




বিশেষ প্রতিবেদক

পাবনার চাটমোহর উপজেলার কাটেঙ্গা গ্রামে ক্যান্সার আক্রান্ত স্বামীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে। 

ঘটনার ১০ দিন পর জানাজানি হলে অভিযুক্ত স্ত্রী শারমিন খাতুন ও তার প্রেমিককে আটক করেছে পুলিশ।

বিষয়টি শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে জানতে পেরে পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে জানায়৷ পরে তাদের আটক করা হয়। এর আগে গত ৩০ নভেম্বর চাটমোহর উপজেলার ছাইকোলা ইউনিয়নের বরদানগর দক্ষিণপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত স্বামী শের আলী (৩৫) বরদানগর দক্ষিণপাড়া গ্রামের ভোলা প্রামানিকের ছেলে। 

আর অভিযুক্ত শের আলীর স্ত্রী শারমিন খাতুন (২৬) কাটেঙ্গা গ্রামের শাহ আলমের মেয়ে এবং তার প্রেমিক অনিক (২২) একইগ্রামের মহাজন সরকারের ছেলে। 

স্থানীয় ও পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে, গত ৩০ নভেম্বর কাটেঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা শের আলীর মৃত্যু হয়। তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন। স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে বিষয়টি শুরুতে মেনে নিলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তাঁর মৃত্যুকে ঘিরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দেয়।

জানা যায়, শের আলীর চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও ইউটিউবারদের মাধ্যমে চিকিৎসা সহায়তার অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে, সেই অর্থের একটি বড় অংশ শারমিন মাঝেমধ্যেই তার প্রেমিক অনিক (২২) কে দিতেন।

মৃত শের আলীর ফুপাতো ভাই এনামুল হোমেনের দাবি, শারমিন ও অনিকের মধ্যে ফেসবুক মেসেঞ্জারে হওয়া কথোপকথন ঘেঁটে টাকা লেনদেনের একাধিক তথ্য পাওয়া যায়। ওই চ্যাটিং থেকেই প্রথম নিশ্চিত হওয়া যায় যে, চিকিৎসার জন্য উত্তোলিত অর্থ নিয়মিতভাবে অন্যত্র চলে যাচ্ছিল।

ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে পরিবারের সদস্যরা কৌশল অবলম্বন করেন। শারমিনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকেই অনিককে টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে আসতে বলে মেসেজ পাঠানো হয়। অনিক সেই মেসেজের জবাব দিয়ে টাকা নিতে যান।

শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তিনি এলাকায় পৌঁছালে আগে থেকেই সতর্ক থাকা স্থানীয়রা তাঁকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে অসংলগ্ন বক্তব্য ও পরস্পরবিরোধী তথ্য দিলে সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়।

পরে আটক অনিক ও শারমিন স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেন, প্রায় চার মাস ধরে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। অনিক দাবি করেন, তিনি প্রথমে শারমিনের ননদ নদীর সাথে সম্পর্কের সূত্রে ওই বাড়িতে যাতায়াত করেন। একপর্যায়ে অনিক ও শারমিন পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়েন। তাঁদের মধ্যে একাধিকবার সাক্ষাৎ ও শারীরিক সম্পর্কের কথাও স্বীকার করেন তারা।

আটক শারমিন এলাকাবাসীর সামনে স্বীকার করে জানান, গত ৩০ নভেম্বর একসঙ্গে দশটি ঘুমের ওষুধ তার স্বামী শের আলীকে খাইয়েছিলেন। পরে শের আলীর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে এবং অস্বাভাবিক আচরণ শুরু হয়। কিছু সময়ের মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হয়। সবাই তার মৃত্যু ক্যান্সারে হয়েছে মনে করে দাফন সম্পন্ন করেন।


শের আলীর মা শিরীনা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "আমার অসুস্থ ছেলেকে ওর বউ ঘুমের ওষুধ খাইয়েছে। সে সহ্য করতে না পেরে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে এসে দেখি আমার ছেলে আর বেঁচে নেই। আমি এর দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”

খবর পেয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে আটক না করে অভিযোগ না থাকার কথা বলে স্থানীয়ভাবে সালিশের সুযোগ দিয়ে ফিরে যায় বলে অভিযোগ ওঠে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। পরে রাত সাড়ে আটটার দিকে গ্রাম্য নেতাদের উপস্থিতিতে সালিশ বসানোর প্রস্তুতির সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে পুনরায় ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। এরপর শারমিন ও অনিককে আটক করে থানায় নেওয়া হয়।

চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সরওয়ার হোসেন বলেন, মৃত ব্যক্তির পরিবারে পক্ষ থেকে কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি বা মামলা করেনি। যেহেতু ঘটনাস্থল থেকে দুইজনকে আটক করা হয়েছে, সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশ আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের পাবনা আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।