অন্যান্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অন্যান্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

টাঙ্গাইল মির্জাপুরে স্ত্রীকে গোপনে তালাক দিয়ে প্রবাসে পালানো নাজিম দেওয়ান তিন বছর পর গ্রে প্তার!

টাঙ্গাইল মির্জাপুরে স্ত্রীকে গোপনে তালাক দিয়ে প্রবাসে পালানো নাজিম দেওয়ান তিন বছর পর গ্রে প্তার!

 টাঙ্গাইল মির্জাপুরে স্ত্রীকে গোপনে তালাক দিয়ে প্রবাসে পালানো নাজিম দেওয়ান তিন বছর পর গ্রে প্তার! 



স্ত্রীকে গোপনে তালাক দিয়ে তিন বছরের কন্যাসন্তানকে ফেলে রেখে আত্মগোপনে থেকে সিঙ্গাপুরে অবস্থান করা নাজিম দেওয়ানকে তিন বছর পর গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পৌরসভার ইউনিয়নপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ভুক্তভোগী পরিবার ও মাম লা সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালে পারিবারিকভাবে নাজিম দেওয়ান ও ফাহিমা আক্তারের বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনের পাঁচ বছর পর ২০২২ সালে কোনো কারণ না জানিয়ে স্ত্রীকে গোপনে তালাক দেন নাজিম। সে সময় তাদের একমাত্র কন্যাসন্তানের বয়স ছিল মাত্র তিন বছর। তালাক দেওয়ার পরপরই নাজিম সিঙ্গাপুরে চলে যান এবং স্ত্রী ও সন্তানের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরবর্তীতে অসহায় ফাহিমা আক্তার নিজের ও সন্তানের ভরণপোষণ না দেওয়ার অভিযোগে মির্জাপুর পারিবারিক আদালতে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত নাজিম দেওয়ানকে ভরণপোষণ, দেনমোহর ও খোরপোষ বাবদ মোট ৪ লাখ ৮৯ হাজার ৫০০ টাকা পরিশোধের রায় দেন এবং ডিক্রি জারি করেন। রায় ঘোষণার সময় আদালতে অনুপস্থিত থাকায় বিচারক তার বিরুদ্ধে গ্রে প্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গ্রেপ্তা রি পরোয়ানা জারির পরও নাজিম দেওয়ান একাধিকবার দেশে এলেও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পুলিশের নজর এড়িয়ে চলছিলেন। সম্প্রতি তিনি পুনরায় দেশে ফিরলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে 

গ্রে প্তার করে। গ্রেপ্তা রকৃত নাজিম দেওয়ান উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের লতিফপুর গ্রামের মৃত বারেক দেওয়ানের ছেলে। ভুক্তভোগী ফাহিমা আক্তার বলেন, “তালাক দিয়ে চলে যাওয়ার পর থেকে আমি আমার মেয়েকে নিয়ে চরম অবহেলা ও মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। এত বছরেও সে আমাদের কোনো খোঁজ নেয়নি।” মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রে প্তারকৃত নাজিম দেওয়ানকে সোমবার দুপুরেই আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

মির্জাপুর বাজারের সন্ত্রাসী নয়ন শিক্ষক পরিবারের সবার উপর হামলা চালায়।

মির্জাপুর বাজারের সন্ত্রাসী নয়ন শিক্ষক পরিবারের সবার উপর হামলা চালায়।

মির্জাপুর বাজারের সন্ত্রাসী #নয়ন (পিতা আঃ কুদ্দুস) এর দ্বারা আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক কে.এম. জাহাঙ্গীর কবির স্যার এবং তার পরিবার কিভাবে হামলার স্বীকার হয় তার বিস্তারিত দেখুন ভিডিও তে।

গত ১৩/১২/২০২৫ রোজ-শনিবার,আনুমানিক সকাল সারে ৮ টার দিকে সন্ত্রাসী #নয়ন,নয়নের বাবা-কুদ্দুস,নয়নের মা- নাজমা,নয়নের তিন বোন- নিশা,টুকটুকি ও বিথী সবাই মিলে

জাহাঙ্গীর স্যার এবং তার স্ত্রী মোছাঃ লিনা পারভীন(প্রধান শিক্ষক,আলীচক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়) সহ স্যারের পরিবারের সবার উপর হামলা চালায়।সম্ভবত হামলাকারীরা-স্যার এবং তার পরিবারকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্য নিয়েই এ হামলা চালিয়েছিলো।



দুঃখজনক হলেও সত্য এতো বড় একটা সন্ত্রাসী হামলা করার পরেও আসামিরা এখনও অবাধে নিরদ্বিধায় বাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছে।আর ওদিকে স্যারের স্ত্রী মাথায় অনেকগুলো সেলাই নিয়ে হাসপাতালের বেডে শুয়ে কাতরাচ্ছেন😥

প্রশাসন এখনও কেন যে অপরাধীদের আটকাচ্ছেন না তা আমার বোধগম্য নয়।



আমার দাবী এবং এলাকাবাসীর দাবি খুব তাড়াতাড়ি আসামিদের ধরে স্যার ও স্যারের পরিবার সহ মির্জাপুর বাসী সবাইকে নিরাপত্তার ব্যাবস্থা করুন।

দরকার হলে আমার এর বিচারের জন্য রাস্তায় দ্বাড়াবো,দরকার পরলে মানববন্ধন করবো।

আরো একবার প্রশাসনের কাছে অনুরোধ,

আমারা সবাই এর সুষ্ঠু বিচার চাই 🙋‍♂️

আর সবার কাছে অনুরোধ রইলো ভিডিও টা শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন যেন প্রশাসনের নজরে খুব ভালোভাবে আসে👍

শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫

ক্যান্সার আক্রান্ত স্বামীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যার অভিযোগ

ক্যান্সার আক্রান্ত স্বামীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যার অভিযোগ

১০ দিন পর গ্রেপ্তার স্ত্রী ও তার প্রেমিক

ঘুমের ওষুধ খাইয়ে স্বামীকে হত্যার অভিযোগ 




বিশেষ প্রতিবেদক

পাবনার চাটমোহর উপজেলার কাটেঙ্গা গ্রামে ক্যান্সার আক্রান্ত স্বামীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে। 

ঘটনার ১০ দিন পর জানাজানি হলে অভিযুক্ত স্ত্রী শারমিন খাতুন ও তার প্রেমিককে আটক করেছে পুলিশ।

বিষয়টি শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে জানতে পেরে পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে জানায়৷ পরে তাদের আটক করা হয়। এর আগে গত ৩০ নভেম্বর চাটমোহর উপজেলার ছাইকোলা ইউনিয়নের বরদানগর দক্ষিণপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত স্বামী শের আলী (৩৫) বরদানগর দক্ষিণপাড়া গ্রামের ভোলা প্রামানিকের ছেলে। 

আর অভিযুক্ত শের আলীর স্ত্রী শারমিন খাতুন (২৬) কাটেঙ্গা গ্রামের শাহ আলমের মেয়ে এবং তার প্রেমিক অনিক (২২) একইগ্রামের মহাজন সরকারের ছেলে। 

স্থানীয় ও পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে, গত ৩০ নভেম্বর কাটেঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা শের আলীর মৃত্যু হয়। তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন। স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে বিষয়টি শুরুতে মেনে নিলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তাঁর মৃত্যুকে ঘিরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দেয়।

জানা যায়, শের আলীর চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও ইউটিউবারদের মাধ্যমে চিকিৎসা সহায়তার অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে, সেই অর্থের একটি বড় অংশ শারমিন মাঝেমধ্যেই তার প্রেমিক অনিক (২২) কে দিতেন।

মৃত শের আলীর ফুপাতো ভাই এনামুল হোমেনের দাবি, শারমিন ও অনিকের মধ্যে ফেসবুক মেসেঞ্জারে হওয়া কথোপকথন ঘেঁটে টাকা লেনদেনের একাধিক তথ্য পাওয়া যায়। ওই চ্যাটিং থেকেই প্রথম নিশ্চিত হওয়া যায় যে, চিকিৎসার জন্য উত্তোলিত অর্থ নিয়মিতভাবে অন্যত্র চলে যাচ্ছিল।

ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে পরিবারের সদস্যরা কৌশল অবলম্বন করেন। শারমিনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকেই অনিককে টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে আসতে বলে মেসেজ পাঠানো হয়। অনিক সেই মেসেজের জবাব দিয়ে টাকা নিতে যান।

শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তিনি এলাকায় পৌঁছালে আগে থেকেই সতর্ক থাকা স্থানীয়রা তাঁকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে অসংলগ্ন বক্তব্য ও পরস্পরবিরোধী তথ্য দিলে সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়।

পরে আটক অনিক ও শারমিন স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেন, প্রায় চার মাস ধরে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। অনিক দাবি করেন, তিনি প্রথমে শারমিনের ননদ নদীর সাথে সম্পর্কের সূত্রে ওই বাড়িতে যাতায়াত করেন। একপর্যায়ে অনিক ও শারমিন পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়েন। তাঁদের মধ্যে একাধিকবার সাক্ষাৎ ও শারীরিক সম্পর্কের কথাও স্বীকার করেন তারা।

আটক শারমিন এলাকাবাসীর সামনে স্বীকার করে জানান, গত ৩০ নভেম্বর একসঙ্গে দশটি ঘুমের ওষুধ তার স্বামী শের আলীকে খাইয়েছিলেন। পরে শের আলীর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে এবং অস্বাভাবিক আচরণ শুরু হয়। কিছু সময়ের মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হয়। সবাই তার মৃত্যু ক্যান্সারে হয়েছে মনে করে দাফন সম্পন্ন করেন।


শের আলীর মা শিরীনা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "আমার অসুস্থ ছেলেকে ওর বউ ঘুমের ওষুধ খাইয়েছে। সে সহ্য করতে না পেরে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে এসে দেখি আমার ছেলে আর বেঁচে নেই। আমি এর দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”

খবর পেয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে আটক না করে অভিযোগ না থাকার কথা বলে স্থানীয়ভাবে সালিশের সুযোগ দিয়ে ফিরে যায় বলে অভিযোগ ওঠে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। পরে রাত সাড়ে আটটার দিকে গ্রাম্য নেতাদের উপস্থিতিতে সালিশ বসানোর প্রস্তুতির সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে পুনরায় ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। এরপর শারমিন ও অনিককে আটক করে থানায় নেওয়া হয়।

চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সরওয়ার হোসেন বলেন, মৃত ব্যক্তির পরিবারে পক্ষ থেকে কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি বা মামলা করেনি। যেহেতু ঘটনাস্থল থেকে দুইজনকে আটক করা হয়েছে, সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশ আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের পাবনা আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২০

মালদ্বীপে নির্মাণাধীন ভবন থেকে রড পড়ে হাসপাতালে এক শ্রমিক

মালদ্বীপে নির্মাণাধীন ভবন থেকে রড পড়ে হাসপাতালে এক শ্রমিক

 


মালদ্বীপের মালেতে নির্মাণাধীন ভবন থেকে রড পড়ে আহত হয়ে এক শ্রমিক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। শনিবার এ ঘটনা ঘটে। এতে ওই শ্রমিকের নাকে ছিদ্র হয়ে যায় বলে জানা গেছে।

পুলিশ জানায়, শনিবার স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দুর্ঘটনার রিপোর্ট আসে। এতে বলা হয়, একটি উঁচু ভবনে নিচ থেকে ওপরে তোলার সময় রড পড়ে গেছে।

স্থানীয় গণমাধ্যম পুলিশের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, এ দুর্ঘটনায় একজন ব্যক্তি আহত হয়েছে এবং সেই ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুলিশ ভিকটিমকে একজন বিদেশী হিসেবে শনাক্ত করলেও তার জাতীয়তা ও বয়স উল্লেখ করেনি।

পুলিশের মুখপাত্র আরও বলেন, পুলিশ ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে।

এদিকে হাসপাতাল তার অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাতে অস্বীকৃতি জানায়।