বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬

২৪ ঘন্টার ব্যবধানে Intel এর ১৭% শেয়ার দরের পতন হয়েছে

২৪ ঘন্টার ব্যবধানে Intel এর ১৭% শেয়ার দরের পতন হয়েছে

 ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে Intel এর মতো টেক জায়ান্ট কোম্পানির প্রায় ১৭% শেয়ার দরের পতন হয়েছে। কেন একটা বিলিয়ন ডলার ইন্ডাস্ট্রির কোম্পানি এভাবে আস্থাহীনতার শিকার হলো? 


এই প্রশ্নের উত্তরই ইন্টারনেট জুড়ে খোঁজার চেষ্টা করতেছিলাম। এর মাঝে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটা সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ খেয়াল করলাম যেইটা টেক ইন্ডাস্ট্রির বর্তমান জিওপলিটিক্যাল এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডাইনামিক্স বোঝার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর্টিকেলের মূল প্রতিপাদ্য "Intel Problems Trump Bump" । ওয়াশিংটনের পলিটিক্যাল হাওয়াবদল বা ট্রাম্প প্রশাসনের সম্ভাব্য প্রটেকশনিস্ট পলিসি হয়তো স্টক মার্কেটে সাময়িক চাঙ্গাভাব বা Bump তৈরি করতে পারে, কিন্তু Intel এর ফান্ডামেন্টাল এবং স্ট্রাকচারাল সমস্যাগুলো এর চেয়েও অনেক গভীরে আছে।


সেমিকন্ডাক্টর ইকোসিস্টেম নিয়ে যারা খোঁজখবর রাখেন, তারা জানেন যে Intel এর বর্তমান সংকট নিছক পলিসি বা ফান্ডিং এর অভাব নয়, বরং এইটা একটা দীর্ঘমেয়াদী এক্সিকিউশন গ্যাপ এর ফলাফল। NVIDIA যখন AI Computing এবং GPU আর্কিটেকচারে একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করছে এবং TSMC যখন ম্যানুফ্যাকচারিং প্রসেস বা লিথোগ্রাফিতে নতুন স্ট্যান্ডার্ড সেট করছে, Intel তখন নিজেদের লিগ্যাসি বিজনেস মডেল এবং ফাউন্ড্রি সমস্যার জট খুলতেই ব্যস্ত। ট্রাম্পের ট্যারিফ পলিসি হয়তো ইম্পোর্টেড চিপের ওপর শুল্ক বসিয়ে ডোমেস্টিক মার্কেটকে কিছুটা সুবিধা দিতে পারে, কিন্তু পলিসি দিয়ে তো আর সিলিকন Yield Rate বা প্রসেসর এফিশিয়েন্সি বাড়ানো সম্ভব নয়।



ইনটেলের জন্য এখনকার সময়টা "মেক অর ব্রেক" এর মতো হয়ে গেছে। তাদের IDM 2.0 স্ট্র্যাটেজি এবং ভবিষ্যৎ নির্ধারণকারী 18A প্রসেস নোড যদি টেকনিক্যালি এবং কমার্শিয়ালি সফল না হয়, তবে কোনো পরিমাণ সরকারি ভর্তুকি বা রাজনৈতিক আনুকূল্য এই জায়ান্টকে দীর্ঘমেয়াদে প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখতে পারবে না। ইনভেস্টররা হয়তো সেন্টিমেন্টের ওপর ভিত্তি করে আশবাদী হতে পারেন, কিন্তু ইঞ্জিনিয়ারিং রিয়েলিটি বলছে রিকভারির পথটা বেশ জটিল।


আমেরিকার ন্যাশনাল সিকিউরিটির জন্য হয়তো ইনটেলকে রাষ্ট্রীয়ভাবে বাঁচিয়ে রাখা হবে, কিন্তু সিলিকন ভ্যালির নিষ্ঠুর প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য পলিটিক্যাল ব্যাকআপ যথেষ্ট নয়, দরকার পিওর ইনোভেশন। এখন সামনে দেখার বিষয়, ইনটেল প্রযুক্তির এই দৌড়ে নিজেকে রি-ইনভেন্ট করে লিডারশিপ পুনরুদ্ধার করতে পারে, নাকি তারা ধীরে ধীরে কেবল একটা রাষ্ট্র সমর্থিত ম্যানুফ্যাকচারিং ব্যাকআপেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে।

বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

জাপান প্রতি সেকেন্ডে রেকর্ড ১.০২ পেটাবিট ইন্টারনেট স্পিড অর্জন করেছে।

জাপান প্রতি সেকেন্ডে রেকর্ড ১.০২ পেটাবিট ইন্টারনেট স্পিড অর্জন করেছে।

 জাপান প্রতি সেকেন্ডে রেকর্ড ১.০২ পেটাবিট ইন্টারনেট স্পিড অর্জন করেছে। এই স্পিডে মাত্র ১ সেকেন্ডেই পুরো নেটফ্লিক্সের ভিডিও ডাউনলোড করা সম্ভব। 



বর্তামানে জাপান হলো বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত গতির ইন্টারনেটের দেশ। গবেষকরা প্রতি সেকেন্ডে ১.০২ পেটাবিটের অসাধারণ গতি অর্জন করেছেন। যা চোখের পলকে পুরো নেটফ্লিক্স লাইব্রেরি ডাউনলোড করার জন্য যথেষ্ট দ্রুত।


আজ শুক্রবার (১১ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি। 


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উচ্চগতির রেল নেটওয়ার্ক, সেরা বিমানবন্দর ও ভূমিকম্প প্রতিরোধী ভবনের সঙ্গে জাপান তার অবকাঠামোগত উন্নতিতে আরো এক ধাপ এগিয়ে গেছে। এটি এখন বিশ্বের দ্রুততম ইন্টারনেটের দেশ। 


জাপানের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশনস টেকনোলজির (এনআইসিটি) একটি প্রতিবেদন অনুসারে, দেশটির ইন্টারনেট ওয়েব ব্রাউজিং ও ডাউনলোডের গতি যুক্তরাষ্ট্রের গড় ইন্টারনেট গতির চেয়ে ৩৫ লাখ গুণ বেশি।


সুমিতোমো ইলেকট্রিক ও ইউরোপীয় অংশীদারদের সহযোগিতায় এনআইসিটির ফোটোনিক নেটওয়ার্ক ল্যাবরেটরি দল, বিশ্বের দ্রুততম ইন্টারনেট উদ্ভাবন করেছে। এ ইন্টারনেট ১৯ কোর বিশিষ্ট একটি বিশেষ ফাইবার অপটিক কেবল ব্যবহার করে প্রতি সেকেন্ডে ১ হাজার ৮০৮ কিলোমিটার বেগে ডেটা পাঠাতে পারে।


ওই প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, সুমিতোমো ইলেকট্রিক অপটিক্যাল ফাইবার কেবলটি ডিজাইন করেছে ও এনআইসিটি একটি আন্তর্জাতিক দলের সহযোগিতায় ট্রান্সমিশন সিস্টেমটি তৈরি করেছে।


এনআইসিটির গবেষকরা ট্রান্সমিটার, রিসিভার ও ৮৬.১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ১৯টি লুপিং সার্কিট ব্যবহার করেছেন। এই লুপের মধ্য দিয়ে সংকেতগুলো রেকর্ড গতিতে ২১ বার মোট ১ হাজার ৮০৮ কিলোমিটার অতিক্রম করেছে ও ১৮০টি ডেটা স্ট্রিম বহন করেছে বলে এনডিটিভির ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। 


গ্যাজেটের তথ্য অনুসারে জানা যায়, জাপানের নতুন ইন্টারনেট গতির মাধ্যমে প্রায় ১০০ গিগাবাইট জায়গা দখল করা পুরো ইংরেজি উইকিপিডিয়া এক সেকেন্ডে ১০ হাজার বার ডাউনলোড করা যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া এক সেকেন্ডের মধ্যে ৮ কে মানের ভিডিও ডাউনলোড করা সম্ভব হবে। অপটিক ফাইবার কেবলটি ০.১২৫ মিলিমিটার পুরু, যা আমাদের বর্তমান ইন্টারনেট অবকাঠামোতে ব্যবহৃত তারের মতোই আকারের।

বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৪

ভুল করে অন্য নাম্বারে টাকা পাঠানো বন্ধে ব্যবস্থা নিল বিকাশ অ্যাপ

ভুল করে অন্য নাম্বারে টাকা পাঠানো বন্ধে ব্যবস্থা নিল বিকাশ অ্যাপ

Channelionline.nagad-15.03.24

ভুল করে অন্য নাম্বারে টাকা পাঠানো বন্ধে ব্যবস্থা নিল বিকাশ অ্যাপ


গ্রাহকের লেনদেন আরও নির্ভুল ও সুরক্ষিত করতে বিকাশ অ্যাপের ‘সেন্ড মানি’ সেবায় যুক্ত হলো আরও একটি সতর্কীকরণ ধাপ বা ‘ডিসক্লেইমার’। সেভ করা নাম্বারের বাইরে অন্য কোনো নাম্বারে তাড়াহুড়ো করে সেন্ড মানি করার সময় ভুল নাম্বারে টাকা পাঠানোর বিড়ম্বনা এড়াতেই বিকাশ অ্যাপে এই সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে।

এখন থেকে বিকাশ অ্যাপে সেভ করা নাম্বার ছাড়া অন্য কোনো নাম্বারে ‘সেন্ড মানি’ করার সময় একটি ‘ডিসক্লেইমার প্রম্পট’ বা সতর্কীকরণ বার্তা দেখা যাবে, যেখানে বলা আছে ‘নাম্বারটি সঠিক কি না তা অনুগ্রহ করে আবার চেক করুন’। সেই অনুযায়ী নাম্বারটি নিশ্চিত হয়ে পরবর্তী ধাপে টাকার পরিমাণ উল্লেখ করে সেন্ড মানি করলেই ভুল নাম্বারে টাকা পাঠনোর কোনো বিড়ম্বনা থাকে না।

‘সেন্ড মানি অটো পে’ সেট করার সময় এবং ‘গ্রুপ সেন্ড মানি’-তে সেভ করা নাম্বারের বাইরে অন্য কোনো নাম্বার যোগ করার সময়েও এই সুবিধা পাওয়া যাবে।

এছাড়া আরও কিছু বিষয়ে নজর রাখলে ভুল নাম্বারে টাকা পাঠানোর কোনো বিড়ম্বনাই থাকে না-
১. নতুন কোনো নাম্বারে সেন্ড মানি করার আগে প্রাপকের সাথে কথা বলে নাম্বারটি নিশ্চিত করে নেয়া যেতে পারে।
২. সেভ করা নাম্বার ছাড়া অন্য কোনো নাম্বারে সেন্ড মানি করার সময় নাম্বারটি কয়েকবার মিলিয়ে নেয়া ভালো।
৩. টাকার পরিমাণ প্রবেশ করার পর টাকার অংক ঠিক আছে কি না তা দেখে নেয়া দরকার।
৪. ভুল নাম্বারে টাকা পাঠিয়ে ফেললে দ্রুত বিকাশ হেল্পলাইন ১৬২৪৭, অফিশিয়াল ওয়েবসাইট/ লাইভ চ্যাট অথবা ফেসবুক পেজে যোগাযোগ করতে হবে।

সুরক্ষিত এই সেন্ড মানি সেবার পাশাপাশি এই মুহূর্তে বিকাশ গ্রাহকরা মোবাইল রিচার্জ, ক্যাশ ইন, ক্যাশ আউট, মার্চেন্ট পেমেন্ট, অ্যাড মানি, ইউটিলিটি বিল পেমেন্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ফি পরিশোধ, ই-টিকেটিং, ডোনেশন, বিদেশ থেকে রেমিটেন্স গ্রহণ, ইন্স্যুরেন্স ও মাইক্রোফাইন্যান্স এর পেমেন্ট, ডিজিটাল ন্যানো লোন ও সেভিংসসহ নানান সেবা ব্যবহার করছেন।

সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২

টাটা হ্যারিয়ারের নতুন দুটি মডেল এলো বাজারে

টাটা হ্যারিয়ারের নতুন দুটি মডেল এলো বাজারে

 


বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় চার চাকার গাড়ি নির্মাতা সংস্থা টাটা। ভারতীয় এই প্রতিষ্ঠান তাদের জনপ্রিয় গাড়ি টাটা হ্যারিয়ারের নতুন দুটি মডেল নিয়ে এলো এবার। আগেরটির জনপ্রিয়তার কারণেই আরও দুটি মডেল ‘টাটা হ্যারিয়ার এক্সএমএস’ ও ‘টাটা হ্যারিয়ার এক্সএমএএস’ নিয়ে এসেছে সংস্থাটি। নতুন হ্যারিয়ার এসইউভি দুটিতে দেওয়া হয়েছে প্যানোরমিক সানরুফ এবং হাই-এন্ড মডেলের অন্যান্য ফিচার।

নতুন হ্যারিয়ার মডেল দুটিতে তেমন কোনো পরিবর্তন করা হয়নি। আগের মতো একই ২.০ টার্বোচার্জড ডিজেল ইঞ্জিন থাকছে গাড়িগুলোতে। যা ১৭০ পার আওয়ার এবং ৩৫০ এনএম টর্ক পাওয়ার চার্ন আউট করতে পারে। অন্যদিকে এক্সএমএস মডেলে ৬-স্পিডের ম্যানুয়াল গিয়ারবক্স দেওয়া হয়েছে এবং এক্সএমএএস মডেলে থাকছে ৬-স্পিডের অটোমেটিক গিয়ারবক্স।

ভেরিয়েন্টগুলোতে অ্যাপল কার প্লে সংযোগ, অ্যান্ড্রয়েড অডিও, টাচস্ক্রিন ইনফোটেইনমেন্ট, পার্কিং ক্যামেরা, ৪টি স্পিকারসহ সাউন্ড সিস্টেম দেওয়া হয়েছে। স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে একটি প্যানোরামিক সানরুফ থাকছে। যা আগে শুধু এক্সটি+, এক্সটিএ+, এক্সজেড, এক্সজেডএ+, এক্সজেডএস এবং এক্সজেডএএস ভ্যারিয়েন্টের সঙ্গে পাওয়া যেত।

আরও থাকছে স্বয়ংক্রিয় হেডল্যাম্প, রেইন-সেন্সিং ওয়াইপার, বৈদ্যুতিক ভাবে ভাঁজযোগ্য বাইরের রিয়ারভিউ মিরর। ভারতে নতুন টাটা হ্যারিয়ার এক্সএমএস-এর দাম থাকছে ১৭ লাখ ২০ হাজার রুপি। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২০ লাখ ২৯ হাজার টাকা।

টাটা হ্যারিয়ার এক্সএমএএস-এর দাম থাকছে ১৮ লাখ ৫০ হাজার রুপি। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা পড়বে ২১ লাখ ৮৩ হাজার টাকা। দুটি মডেলের দামই মুম্বাইয়ের এক্স-শোরুম প্রাইস হিসেবে নির্ধারিত। বর্তমানে টাটার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে বুকিং দেওয়া যাবে গাড়িগুলো।

অব্যবহৃত সিম বিক্রি করতে পারবে গ্রামীণফোন

অব্যবহৃত সিম বিক্রি করতে পারবে গ্রামীণফোন

 


মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক অপারেটর গ্রামীণফোনের ওপর সিম বিক্রিতে যে নিষেধাজ্ঞা ছিল, তা আংশিকভাবে প্রত্যাহার করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

সরকারি এ সংস্থাটি গ্রামীণফোনকে অব্যবহৃত সিম বিক্রির সুযোগ দিয়েছে। তবে নতুন সিম বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে। ফলে গ্রামীণফোন নতুন সিম বিক্রি করতে পারবে না।

বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিটিআরসির পক্ষ থেকে গ্রামীণফোনকে অব্যবহৃত সিম বিক্রির এ সুযোগ দেওয়া হয়।

গত জুনের শেষ দিকে গ্রামীণফোনের সিম বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় বিটিআরসি। ফলে প্রতিষ্ঠানটি আড়াই মাসের বেশি সময় ধরে কোনো ধরনের সিম বিক্রি করতে পারেনি।

নিষেধাজ্ঞা আংশিক প্রত্যাহারের বিষয়ে জানতে চাইলে বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার বলেন, গ্রামীণফোন তাদের কাছে থাকা অব্যবহৃত সিম বিক্রির সুযোগ পাবে।

কবে নাগাদ গ্রামীণফোনকে নতুন সিম বিক্রির সুযোগ দেওয়া হতে পারে, এ প্রসঙ্গে বিটিআরসির চেয়ারম্যান বলেন, সেবার মান উন্নত হওয়ার পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার চলবে নতুন উড়ন্ত বাইক

ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার চলবে নতুন উড়ন্ত বাইক

 


তরুণ প্রজন্মের পাশাপাশি সব বয়সী মানুষের কাছেই উন্মাদনার আরেক নাম বাইক। টু হুইলার এই যানটির প্রেমে মশগুল নারী-পুরুষ ছেলে বুড়ো সবাই। যানজটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকে ধৈর্য্যের পরীক্ষা দিয়েছেন বারবার। এজন্য দু চাকার যান বেছে নিয়েছেন অনেকেই। তাতেও রেহাই মিলছে না যানজটের ভোগান্তি থেকে।

তাহলে এবার নিতে পারেন উড়ন্ত বাইক। মিনিটেই পৌঁছে যাবেন গন্তব্যে। একদিকে সময়ও বাঁচবে, অন্যদিকে যানজট থেকেও রেহাই মিলবে। জাপানের বাজারে বহু আগেই উড়ন্ত বাইক এসেছে। এবার যুক্তরাজ্যের বাজারেও আস্তে চলেছে উড়ন্ত বাইক।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ডেট্রয়েট অটো শোতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদর্শন করা হয় তৃতীয় প্রজন্মের এই উড়ন্ত বাইক। এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘এক্সটুরিসমো’ হোভারবাইক। টেস্ট রান সম্পন্ন হলেও জাপানি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘এয়ারউইন্স’-এর হাত ধরে ২০২৩ সালেই যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে দেখা যাবে বলেই আশা করছে সংস্থাটি। আসবে বলে জানিয়েছে অটো শো কর্তৃপক্ষ।

জাপানের বাজারে বাইকটি এরই মধ্যে বিক্রি শুরু হয়েছে। জাপানের এই বাইকটির গতি ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার। এমনকি একবার পূর্ণ চার্জের পর একেকটি হোভারবাইক ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১০০ কিলোমিটার গতিতে ৪৯ মিনিট পর্যন্ত উড়তে পারবে।

তবে নতুন হোভারবাইকটি ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার গতিবেগে একটানা ৪০ মিনিট পর্যন্ত চলতে পারবে। একজন যাত্রী পরিবহনে সক্ষম এই বাইকটির ওজন ৩০০ কেজি। এখন পর্যন্ত হোভারবাইক শুধু সড়কে চলতে আর আকাশে উড়তেই সক্ষম। বিশেষ করে দুর্গম এলাকায় বিভিন্ন দুর্যোগ ও দুর্ঘটনায় আটকে পড়া মানুষকে উদ্ধারে উদ্ধারকর্মীরা উড়ন্ত বাইক খুবই কাজে আসবে বলেও মনে করছেন সংস্থাটি।

‘এক্সটুরিসমো’ হোভারবাইক এরই মধ্যে জাপানের বাজারে বিক্রি শুরু হলেও, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এটির একটি ছোট সংস্করণ আসবে। হোভারবাইকটি প্রথম ধাপে অল্পসংখ্যক তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে চাহিদা অনুযায়ী এটি বাজারে আনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে এয়ারউইন্স।

ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৩ সালেই বাজারে পাওয়া যাবে এই হোভারবাইকটি। প্রাথমিকভাবে এর দাম ধরা হয়েছে ৭ লাখ ৭৭ হাজার মার্কিন ডলার। তবে কোম্পানিটি ২০২৫ সালের মধ্যে এর একটি ছোট বৈদ্যুতিক মডেল আনবে। সেটির দাম থাকবে ৫০ হাজার মার্কিন ডলারের মধ্যে

হোয়াটসঅ্যাপে দীর্ঘদিনের পুরোনো চ্যাট পাওয়া যাবে নিমিষেই

হোয়াটসঅ্যাপে দীর্ঘদিনের পুরোনো চ্যাট পাওয়া যাবে নিমিষেই

 


প্রযুক্তির সঙ্গেই এখন আমাদের বসবাস। সারাক্ষণ সোশ্যাল মিডিয়ায় বুঁদ হয়ে থাকেন। গুগলের মতো এখন হোয়াটসঅ্যাপও নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্যক্তিগত চ্যাট তো আছেই সেই সঙ্গে অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কাজ, ফাইল শেয়ারের জন্যও ব্যবহার হচ্ছে প্ল্যাটফর্মটি।

তবে অনেকেই একটি সাধারণ সমস্যায় পড়েছেন। তা হলো পুরোনো চ্যাট খুঁজে না পাওয়া। আর পেতে হলে অনেক সময় নিয়ে সেটি খুজতে হয়। তবে এখন খুব সহজেই পুরোনো চ্যাট খুঁজে বের করা যাবে। সেই সুবিধার জন্য নতুন ফিচার নিয়ে এলো হোয়াটসঅ্যাপ।

হোয়াটসঅ্যাপ এখন এক ক্লিকে তারিখ ধরে চ্যাট সার্চ করার ফিচার আনতে চলেছে। যদিও এই ফিচার নিয়ে দুই বছর আগে কাজ শুরু করেও থামিয়ে দিয়েছিল প্ল্যাটফর্মটি। তবে এবার আবার কাজ শুরু করেছে ফিচারটি নিয়ে। ধারণা করা হচ্ছে খুব শিগগির ফিচারটি ব্যবহার করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।

হোয়াটসঅ্যাপ ট্র্যাকার ডব্লিউবিটাইনফোর এক রিপোর্টে জানানো হয়েছে এই ফিচার সম্পর্কে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই ফিচার কাজে আসবে কোনো চ্যাটে প্রথম কী কথা হয়েছিল তা খুঁজে পেতে। এর জন্য সার্চ বারে একটা ক্যালেন্ডার আইকন জুড়ে দেওয়া হবে, সেটায় ক্লিক করলেই কাজ হয়ে যাবে।

তবে দুঃসংবাদ হচ্ছে শুরুতে আইফোন ব্যবহারকারীরাই শুধু এই সুবিধা পাবেন। জানা যাচ্ছে, আইওএস ভার্সনে পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজও শুরু হয়েছে। খুব শিগগির বিটা টেস্টারদের নিয়ে ট্রায়ালও দেওয়া হবে বাজারে ফিচার ছাড়ার আগে।