সারাদেশ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সারাদেশ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬

এলাকার কৃতি সন্তান মোঃ হাসান আলী #সজল (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী)

এলাকার কৃতি সন্তান মোঃ হাসান আলী #সজল (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী)

 আগামীকাল ২৯ জুন, সোমবার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের #বাজেট পাস প্রসঙ্গে অভিজ্ঞতা অর্জন ও দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক গবেষণার জন্য জাতীয় #সংসদে মাননীয় স্পিকারের নিকট হতে নানা জটিলতার মধ্য দিয়ে উপস্থিত থাকার অনুমতি পেয়েছে। #মির্জাপুরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ #বাবলুর রহমানের পুত্র এবং এলাকার কৃতি সন্তান মোঃ হাসান আলী #সজল (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী) এছাড়াও তার সাথে উপস্থিত থাকবে তার আরো কয়েকজন সহপাঠী,শিক্ষক ও রাবির অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান ড.এ.এন.কে নোমান। তার জন্য শুভকামনা রইল।


বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

টাঙ্গাইল মির্জাপুরে স্ত্রীকে গোপনে তালাক দিয়ে প্রবাসে পালানো নাজিম দেওয়ান তিন বছর পর গ্রে প্তার!

টাঙ্গাইল মির্জাপুরে স্ত্রীকে গোপনে তালাক দিয়ে প্রবাসে পালানো নাজিম দেওয়ান তিন বছর পর গ্রে প্তার!

 টাঙ্গাইল মির্জাপুরে স্ত্রীকে গোপনে তালাক দিয়ে প্রবাসে পালানো নাজিম দেওয়ান তিন বছর পর গ্রে প্তার! 



স্ত্রীকে গোপনে তালাক দিয়ে তিন বছরের কন্যাসন্তানকে ফেলে রেখে আত্মগোপনে থেকে সিঙ্গাপুরে অবস্থান করা নাজিম দেওয়ানকে তিন বছর পর গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পৌরসভার ইউনিয়নপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ভুক্তভোগী পরিবার ও মাম লা সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালে পারিবারিকভাবে নাজিম দেওয়ান ও ফাহিমা আক্তারের বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনের পাঁচ বছর পর ২০২২ সালে কোনো কারণ না জানিয়ে স্ত্রীকে গোপনে তালাক দেন নাজিম। সে সময় তাদের একমাত্র কন্যাসন্তানের বয়স ছিল মাত্র তিন বছর। তালাক দেওয়ার পরপরই নাজিম সিঙ্গাপুরে চলে যান এবং স্ত্রী ও সন্তানের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরবর্তীতে অসহায় ফাহিমা আক্তার নিজের ও সন্তানের ভরণপোষণ না দেওয়ার অভিযোগে মির্জাপুর পারিবারিক আদালতে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত নাজিম দেওয়ানকে ভরণপোষণ, দেনমোহর ও খোরপোষ বাবদ মোট ৪ লাখ ৮৯ হাজার ৫০০ টাকা পরিশোধের রায় দেন এবং ডিক্রি জারি করেন। রায় ঘোষণার সময় আদালতে অনুপস্থিত থাকায় বিচারক তার বিরুদ্ধে গ্রে প্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গ্রেপ্তা রি পরোয়ানা জারির পরও নাজিম দেওয়ান একাধিকবার দেশে এলেও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পুলিশের নজর এড়িয়ে চলছিলেন। সম্প্রতি তিনি পুনরায় দেশে ফিরলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে 

গ্রে প্তার করে। গ্রেপ্তা রকৃত নাজিম দেওয়ান উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের লতিফপুর গ্রামের মৃত বারেক দেওয়ানের ছেলে। ভুক্তভোগী ফাহিমা আক্তার বলেন, “তালাক দিয়ে চলে যাওয়ার পর থেকে আমি আমার মেয়েকে নিয়ে চরম অবহেলা ও মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। এত বছরেও সে আমাদের কোনো খোঁজ নেয়নি।” মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রে প্তারকৃত নাজিম দেওয়ানকে সোমবার দুপুরেই আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

ভাঙ্গুড়ায় সাংবাদিকের ওপর সেই হামলাকারীসহ দুই ছাত্রলীগকর্মী গ্রেফতার

ভাঙ্গুড়ায় সাংবাদিকের ওপর সেই হামলাকারীসহ দুই ছাত্রলীগকর্মী গ্রেফতার

 ভাঙ্গুড়ায় সাংবাদিকের ওপর সেই হামলাকারীসহ দুই ছাত্রলীগকর্মী গ্রেফতার

°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°


পাবনার ভাঙ্গুড়ায় দৈনিক খোলা কাগজের প্রতিনিধি সাংবাদিক মানিকের ওপর সেই হামলাকারী বায়োজিদসহ দুই নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 


এরআগে নকল দুধ তৈরির সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিক মানিকের ওপর হামলার চালিয়ে তার পা ভেঙে দেয় বায়োজিদসহ কয়েকজন দুর্বৃত্ত। 



রবিবার রাতে উপজেলার পৃথক পৃথক এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। সোমবার সকালে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে পাবনা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


বায়োজিদ উপজেলার দিলপাশার ইউনিয়নের পুঁইবিল গ্রামের মো. মহসিন আলীর ছেলে। তিনি পাবনা-৩ আসনের (আওয়ামী লীগ) সাবেক সাংসদ মকবুল হোসেনের আত্মীয় ও উপজেলা ছাত্রলীগের কর্মী। অপরজন সুমন হোসেন উপজেলার পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের পাথরঘাটা গ্রামের আয়েজউদ্দিন মানিকের (কসাই) ছেলে ও কলেজ ছাত্রলীগ কর্মী। 


এরআগে গত ১১ মে গভীর রাতে অষ্টমনিষা ইউনিয়ন বিএনপি অফিসের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। পরদিন এ ঘটনায় অষ্টমনিষার বিএনপি কর্মী ময়ছের আলী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ১৮ নেতাকর্মীসহ অজ্ঞাত ৪০/৫০ জনকে আসামি করা হয়।


ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মোস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।


তিনি বলেন, বিস্ফোরক মামলায় পৃথক অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত দুই কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে সোমবার দুপুরে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

মির্জাপুর বাজারের সন্ত্রাসী নয়ন শিক্ষক পরিবারের সবার উপর হামলা চালায়।

মির্জাপুর বাজারের সন্ত্রাসী নয়ন শিক্ষক পরিবারের সবার উপর হামলা চালায়।

মির্জাপুর বাজারের সন্ত্রাসী #নয়ন (পিতা আঃ কুদ্দুস) এর দ্বারা আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক কে.এম. জাহাঙ্গীর কবির স্যার এবং তার পরিবার কিভাবে হামলার স্বীকার হয় তার বিস্তারিত দেখুন ভিডিও তে।

গত ১৩/১২/২০২৫ রোজ-শনিবার,আনুমানিক সকাল সারে ৮ টার দিকে সন্ত্রাসী #নয়ন,নয়নের বাবা-কুদ্দুস,নয়নের মা- নাজমা,নয়নের তিন বোন- নিশা,টুকটুকি ও বিথী সবাই মিলে

জাহাঙ্গীর স্যার এবং তার স্ত্রী মোছাঃ লিনা পারভীন(প্রধান শিক্ষক,আলীচক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়) সহ স্যারের পরিবারের সবার উপর হামলা চালায়।সম্ভবত হামলাকারীরা-স্যার এবং তার পরিবারকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্য নিয়েই এ হামলা চালিয়েছিলো।



দুঃখজনক হলেও সত্য এতো বড় একটা সন্ত্রাসী হামলা করার পরেও আসামিরা এখনও অবাধে নিরদ্বিধায় বাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছে।আর ওদিকে স্যারের স্ত্রী মাথায় অনেকগুলো সেলাই নিয়ে হাসপাতালের বেডে শুয়ে কাতরাচ্ছেন😥

প্রশাসন এখনও কেন যে অপরাধীদের আটকাচ্ছেন না তা আমার বোধগম্য নয়।



আমার দাবী এবং এলাকাবাসীর দাবি খুব তাড়াতাড়ি আসামিদের ধরে স্যার ও স্যারের পরিবার সহ মির্জাপুর বাসী সবাইকে নিরাপত্তার ব্যাবস্থা করুন।

দরকার হলে আমার এর বিচারের জন্য রাস্তায় দ্বাড়াবো,দরকার পরলে মানববন্ধন করবো।

আরো একবার প্রশাসনের কাছে অনুরোধ,

আমারা সবাই এর সুষ্ঠু বিচার চাই 🙋‍♂️

আর সবার কাছে অনুরোধ রইলো ভিডিও টা শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন যেন প্রশাসনের নজরে খুব ভালোভাবে আসে👍

শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫

ক্যান্সার আক্রান্ত স্বামীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যার অভিযোগ

ক্যান্সার আক্রান্ত স্বামীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যার অভিযোগ

১০ দিন পর গ্রেপ্তার স্ত্রী ও তার প্রেমিক

ঘুমের ওষুধ খাইয়ে স্বামীকে হত্যার অভিযোগ 




বিশেষ প্রতিবেদক

পাবনার চাটমোহর উপজেলার কাটেঙ্গা গ্রামে ক্যান্সার আক্রান্ত স্বামীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে। 

ঘটনার ১০ দিন পর জানাজানি হলে অভিযুক্ত স্ত্রী শারমিন খাতুন ও তার প্রেমিককে আটক করেছে পুলিশ।

বিষয়টি শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে জানতে পেরে পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে জানায়৷ পরে তাদের আটক করা হয়। এর আগে গত ৩০ নভেম্বর চাটমোহর উপজেলার ছাইকোলা ইউনিয়নের বরদানগর দক্ষিণপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত স্বামী শের আলী (৩৫) বরদানগর দক্ষিণপাড়া গ্রামের ভোলা প্রামানিকের ছেলে। 

আর অভিযুক্ত শের আলীর স্ত্রী শারমিন খাতুন (২৬) কাটেঙ্গা গ্রামের শাহ আলমের মেয়ে এবং তার প্রেমিক অনিক (২২) একইগ্রামের মহাজন সরকারের ছেলে। 

স্থানীয় ও পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে, গত ৩০ নভেম্বর কাটেঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা শের আলীর মৃত্যু হয়। তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন। স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে বিষয়টি শুরুতে মেনে নিলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তাঁর মৃত্যুকে ঘিরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দেয়।

জানা যায়, শের আলীর চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও ইউটিউবারদের মাধ্যমে চিকিৎসা সহায়তার অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে, সেই অর্থের একটি বড় অংশ শারমিন মাঝেমধ্যেই তার প্রেমিক অনিক (২২) কে দিতেন।

মৃত শের আলীর ফুপাতো ভাই এনামুল হোমেনের দাবি, শারমিন ও অনিকের মধ্যে ফেসবুক মেসেঞ্জারে হওয়া কথোপকথন ঘেঁটে টাকা লেনদেনের একাধিক তথ্য পাওয়া যায়। ওই চ্যাটিং থেকেই প্রথম নিশ্চিত হওয়া যায় যে, চিকিৎসার জন্য উত্তোলিত অর্থ নিয়মিতভাবে অন্যত্র চলে যাচ্ছিল।

ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে পরিবারের সদস্যরা কৌশল অবলম্বন করেন। শারমিনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকেই অনিককে টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে আসতে বলে মেসেজ পাঠানো হয়। অনিক সেই মেসেজের জবাব দিয়ে টাকা নিতে যান।

শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তিনি এলাকায় পৌঁছালে আগে থেকেই সতর্ক থাকা স্থানীয়রা তাঁকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে অসংলগ্ন বক্তব্য ও পরস্পরবিরোধী তথ্য দিলে সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়।

পরে আটক অনিক ও শারমিন স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেন, প্রায় চার মাস ধরে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। অনিক দাবি করেন, তিনি প্রথমে শারমিনের ননদ নদীর সাথে সম্পর্কের সূত্রে ওই বাড়িতে যাতায়াত করেন। একপর্যায়ে অনিক ও শারমিন পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়েন। তাঁদের মধ্যে একাধিকবার সাক্ষাৎ ও শারীরিক সম্পর্কের কথাও স্বীকার করেন তারা।

আটক শারমিন এলাকাবাসীর সামনে স্বীকার করে জানান, গত ৩০ নভেম্বর একসঙ্গে দশটি ঘুমের ওষুধ তার স্বামী শের আলীকে খাইয়েছিলেন। পরে শের আলীর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে এবং অস্বাভাবিক আচরণ শুরু হয়। কিছু সময়ের মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হয়। সবাই তার মৃত্যু ক্যান্সারে হয়েছে মনে করে দাফন সম্পন্ন করেন।


শের আলীর মা শিরীনা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "আমার অসুস্থ ছেলেকে ওর বউ ঘুমের ওষুধ খাইয়েছে। সে সহ্য করতে না পেরে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে এসে দেখি আমার ছেলে আর বেঁচে নেই। আমি এর দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”

খবর পেয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে আটক না করে অভিযোগ না থাকার কথা বলে স্থানীয়ভাবে সালিশের সুযোগ দিয়ে ফিরে যায় বলে অভিযোগ ওঠে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। পরে রাত সাড়ে আটটার দিকে গ্রাম্য নেতাদের উপস্থিতিতে সালিশ বসানোর প্রস্তুতির সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে পুনরায় ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। এরপর শারমিন ও অনিককে আটক করে থানায় নেওয়া হয়।

চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সরওয়ার হোসেন বলেন, মৃত ব্যক্তির পরিবারে পক্ষ থেকে কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি বা মামলা করেনি। যেহেতু ঘটনাস্থল থেকে দুইজনকে আটক করা হয়েছে, সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশ আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের পাবনা আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৪

ভুল করে অন্য নাম্বারে টাকা পাঠানো বন্ধে ব্যবস্থা নিল বিকাশ অ্যাপ

ভুল করে অন্য নাম্বারে টাকা পাঠানো বন্ধে ব্যবস্থা নিল বিকাশ অ্যাপ

Channelionline.nagad-15.03.24

ভুল করে অন্য নাম্বারে টাকা পাঠানো বন্ধে ব্যবস্থা নিল বিকাশ অ্যাপ


গ্রাহকের লেনদেন আরও নির্ভুল ও সুরক্ষিত করতে বিকাশ অ্যাপের ‘সেন্ড মানি’ সেবায় যুক্ত হলো আরও একটি সতর্কীকরণ ধাপ বা ‘ডিসক্লেইমার’। সেভ করা নাম্বারের বাইরে অন্য কোনো নাম্বারে তাড়াহুড়ো করে সেন্ড মানি করার সময় ভুল নাম্বারে টাকা পাঠানোর বিড়ম্বনা এড়াতেই বিকাশ অ্যাপে এই সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে।

এখন থেকে বিকাশ অ্যাপে সেভ করা নাম্বার ছাড়া অন্য কোনো নাম্বারে ‘সেন্ড মানি’ করার সময় একটি ‘ডিসক্লেইমার প্রম্পট’ বা সতর্কীকরণ বার্তা দেখা যাবে, যেখানে বলা আছে ‘নাম্বারটি সঠিক কি না তা অনুগ্রহ করে আবার চেক করুন’। সেই অনুযায়ী নাম্বারটি নিশ্চিত হয়ে পরবর্তী ধাপে টাকার পরিমাণ উল্লেখ করে সেন্ড মানি করলেই ভুল নাম্বারে টাকা পাঠনোর কোনো বিড়ম্বনা থাকে না।

‘সেন্ড মানি অটো পে’ সেট করার সময় এবং ‘গ্রুপ সেন্ড মানি’-তে সেভ করা নাম্বারের বাইরে অন্য কোনো নাম্বার যোগ করার সময়েও এই সুবিধা পাওয়া যাবে।

এছাড়া আরও কিছু বিষয়ে নজর রাখলে ভুল নাম্বারে টাকা পাঠানোর কোনো বিড়ম্বনাই থাকে না-
১. নতুন কোনো নাম্বারে সেন্ড মানি করার আগে প্রাপকের সাথে কথা বলে নাম্বারটি নিশ্চিত করে নেয়া যেতে পারে।
২. সেভ করা নাম্বার ছাড়া অন্য কোনো নাম্বারে সেন্ড মানি করার সময় নাম্বারটি কয়েকবার মিলিয়ে নেয়া ভালো।
৩. টাকার পরিমাণ প্রবেশ করার পর টাকার অংক ঠিক আছে কি না তা দেখে নেয়া দরকার।
৪. ভুল নাম্বারে টাকা পাঠিয়ে ফেললে দ্রুত বিকাশ হেল্পলাইন ১৬২৪৭, অফিশিয়াল ওয়েবসাইট/ লাইভ চ্যাট অথবা ফেসবুক পেজে যোগাযোগ করতে হবে।

সুরক্ষিত এই সেন্ড মানি সেবার পাশাপাশি এই মুহূর্তে বিকাশ গ্রাহকরা মোবাইল রিচার্জ, ক্যাশ ইন, ক্যাশ আউট, মার্চেন্ট পেমেন্ট, অ্যাড মানি, ইউটিলিটি বিল পেমেন্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ফি পরিশোধ, ই-টিকেটিং, ডোনেশন, বিদেশ থেকে রেমিটেন্স গ্রহণ, ইন্স্যুরেন্স ও মাইক্রোফাইন্যান্স এর পেমেন্ট, ডিজিটাল ন্যানো লোন ও সেভিংসসহ নানান সেবা ব্যবহার করছেন।

সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২

বাংলাদেশের মেয়েদের ফাইনাল দেখুন টি স্পোর্টসে

বাংলাদেশের মেয়েদের ফাইনাল দেখুন টি স্পোর্টসে

 


ক্রীড়াপ্রেমীদের সুখবর দিলো দেশের একমাত্র খেলাধুলাভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল টি স্পোর্টস। বিকেল সোয়া ৫টায় বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল ম্যাচটি সরাসরি দেখা যাবে টি স্পোর্টসের পর্দায়।

নেপালের কাঠমান্ডুতে চলমান নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচগুলো বাংলাদেশে বসে দেখার জন্য বেশ ভোগান্তিই পোহাতে হয়েছে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সরবরাহকৃত লাইভ স্ট্রিমিং লিংকের মাধ্যমে দেখা গেছে সেমিফাইনাল পর্যন্ত ম্যাচগুলো।

তবে এবার ফাইনাল ম্যাচটি সরাসরি দেখানোর ঘোষণা দিয়েছে টি স্পোর্টস। তারা লিখেছে, 'সাফ উইমেনস চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল বাংলাদেশ বনাম নেপালের ম্যাচটি সরাসরি দেখবেন আজ বিকেল ৫:১৫ টায় শুধুমাত্র টি স্পোর্টসের পর্দায়।'

এই ফাইনাল ম্যাচে বাংলাদেশ-নেপাল; দুই দলের সামনেই ইতিহাস গড়ার হাতছানি। যারা জিতবে তারাই প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হবে নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে। দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে অবশ্য এগিয়ে নেপাল। আগের তিন ম্যাচের তিনটিতেই বাংলাদেশকে হারিয়েছে।

তবে চলতি সাফে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছে সাবিনা খাতুনের দল। ফাইনালে ওঠার পথে চার ম্যাচে ২০টি গোল করেছে তারা। বিপরীতে হজম করেনি একটিও। তাই এবার প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার প্রত্যাশা নিয়েই ফাইনালে মাঠে নামবেন নারী ফুটবলাররা।

এসএসসি: বাংলা দ্বিতীয় পত্রে অনুপস্থিত ৩৩৪৭৯, বহিষ্কার ৮১

এসএসসি: বাংলা দ্বিতীয় পত্রে অনুপস্থিত ৩৩৪৭৯, বহিষ্কার ৮১

 



এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনে বাংলা দ্বিতীয় পত্রে সারাদেশে ৩৩ হাজার ৪৭৯ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ১৬ হাজার ৩২২, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ১০ হাজার ৮৬৯ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৬ হাজার ২৮৮ জন। আর অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ৮১ পরীক্ষার্থীকে।

এর আগে প্রথম দিন অর্থাৎ গত ১৫ সেপ্টেম্বর অনুপস্থিত ছিল ৩৩ হাজার ৮৬০ পরীক্ষার্থী। আর অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার হয়েছিলেন ২৬ পরীক্ষার্থী।

শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকারের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এদিন দেশের তিন হাজার ৬৮১টি কেন্দ্রে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৯ লাখ ৩২ হাজার ১২১ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১৮ লাখ ৯৮ হাজার ৬৪২ জন। এই হিসেবে অনুপস্থিত ছিল ৩৩ হাজার ৪৭৯ জন, শতাংশের হিসেবে যা ১ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ঢাকা বোর্ডে ৬ জন, রাজশাহী বোর্ডে ৫ জন, কুমিল্লা বোর্ডে ২ জন, দিনাজপুর বোর্ডে ৭ জন, ময়মনসিংহ বোর্ডে ২ জন, মাদরাসা বোর্ডে ৫২ জন এবং কারিগরি বোর্ডে ৭ জন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সাধারণত এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে শুরু হয়। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে নির্ধারিত সময়ে এ পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। পিছিয়ে যাওয়া এ পরীক্ষা গত ১৯ জুন শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সিলেটসহ কয়েকটি জেলায় ব্যাপক বন্যা দেখা দিলে গত ১৭ জুন পরীক্ষা স্থগিত করে সরকার। এর আগে গত বছর নয় মাস পিছিয়ে নভেম্বরে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে তিন বিষয়ে এ পরীক্ষা নেওয়া হয়।

এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ২০ লাখ ২১ হাজার ৮৬৮ জন। ৩ হাজার ৭৯০টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এ পরীক্ষা। এতে অংশ নিচ্ছে ২৯ হাজার ৫৯১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীরা। এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে পুনর্বিন্যস্ত পাঠ্যসূচি অনুযায়ী। ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং বিজ্ঞান-এসব বিষয়ের পরীক্ষা না নিয়ে সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হবে।

২০২৩ সালের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা সব বিষয়ে

২০২৩ সালের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা সব বিষয়ে

 


আগামী বছর (২০২৩ সাল) থেকে সব বিষয়ে এসএসসি-এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা হবে। তবে সব বিষয়ে পরীক্ষা হলেও পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, ২০২৩ সালেও পরীক্ষা হবে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড প্রণীত পুনর্বিন্যাস করা পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে।

রোববার (১৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ২০২৩ সালে এসএসসি পর্যায়ে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) পরীক্ষার পূর্ণ নম্বর হবে ৫০। তবে অন্য প্রতিটি বিষয়ে তিন ঘণ্টা সময়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর এইচএসসি পর্যায়ে প্রতিটি বিষয়ে তিন ঘণ্টা সময়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

স্বাভাবিক সময়ে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা হতো বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে। আর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা হতো এপ্রিল মাসের শুরুতে। কিন্তু করোনার সংক্রমণের কারণে পুরো শিক্ষাপঞ্জি এলোমেলোভাবে চলছে। এছাড়া দুই বছর ধরে কখনো পরীক্ষা ছাড়াই ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। আবার কখনো পরীক্ষা হলেও সব বিষয়ে হয়নি।

এ অবস্থায় আগামী বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে এক মাস পেছাতে পারে। অর্থাৎ এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে শুরু না হয়ে এক মাস পেছাতে পারে।

দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার ৭৫ শতাংশ

দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার ৭৫ শতাংশ

 



সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) মালালা ফাউন্ডেশনের এক সংবাদ সম্মেলনে এমন মন্তব্য করেন পিপলস্ ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রাম ইমপ্লিমেন্টেশনের (পপি) নির্বাহী পরিচালক মোরশেদ আলম সরকার।

তিনি জানান, শিক্ষায় বৈষম্যের শিকার হাওর, চরাঞ্চল ও দুর্যোগপ্রবণ এলাকার শিক্ষার্থীরা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৈষম্যের শিকার নারী ও শিশুরা। এসব অঞ্চলে জানুয়ারি থেকে দুই মাস ধান চাষ ও কাটার সময় থাকায় জীবিকা নির্বাহে শিক্ষার্থীরা মাঠে কর্মরত থাকে। ফলে শিক্ষাবর্ষের বিশাল একটি সময় তাদের নষ্ট হয়। শিক্ষাবর্ষের সময় পরিবর্তনের বিষয়ে সরকারকে বিভিন্ন সময় অবহিত করা হলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. মঞ্জুর আহমেদ জানান, প্রাথমিকে ঝরে পড়ার পর ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির হার ৬০ শতাংশ, দশম শ্রেণি পর্যন্ত তা ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ এবং দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত আসতে পারে ১০ থেকে ১২ শতাংশ শিক্ষার্থী। আবার এসব শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা উত্তীর্ণ হয়ে ফেরেন তাদের শিক্ষার মান নিয়েও রয়েছে সংশয়।

তিনি জানান, ২০১৫ সালে ২০৩০ সাল পর্যন্ত শিক্ষার যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, ২০২২ সাল পর্যন্ত অর্ধেক সময় চলে গেলেও অর্জন কাঙ্ক্ষিত লক্ষমাত্রা থেকে অনেক পিছিয়ে। করোনার দুই বছরে এ লক্ষ্যমাত্রা থেকে আমরা আরও পিছিয়ে পড়েছি।

jagonews24

করোনায় শিক্ষায় যে ক্ষতি হয়েছে সরকার পক্ষ থেকে তা অস্বীকার করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার ঘাটতি পূরণ করতে হলে প্রথমে আমাদের ঘাটতির কথা স্বীকার করতে হবে। এ ঘাটতি পূরণে কমপক্ষে দুই বছরের পরিকল্পনা করতে হবে। বিশ্বের সব দেশেই এই ঘাটতি হয়েছে। তারা তা স্বীকার করে পূরণে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা সেই কাজ না করেই আবার নতুন কারিকুলাম নিয়ে কাজ করছি।

শিক্ষা ব্যবস্থায় সামগ্রিক পরিকল্পনা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে এই শিক্ষাবিদ জানান, এর আগে আমরা বারবার শিক্ষার সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছি। তবে বর্তমানে সংস্কার নয়, রূপান্তর প্রয়োজন। শিক্ষায় প্রথম বাধা অর্থায়ন, যে পরিমাণ বরাদ্দ দেওয়া হয় তা দিয়ে মানসম্মত শিক্ষা বাস্তবায়ন কখনও সম্ভব নয়। শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক এবং কারিগরি ও মাদরাসা এই তিন ভাগে বিভক্তিকরণকে শিক্ষার মানোন্নয়নের অন্যতম আরেকটি বাধা হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

মূল বক্তব্যে মালালা ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের কান্ট্রি ইনচার্জ মোশাররফ তানসেন জানান, বাংলাদেশে নারী শিক্ষার্থীদের প্রাথমিকে ভর্তির হার ৫১ শতাংশ ও মাধ্যমিকে ৫৪ শতাংশ। তবে ঝরে পড়ার হারও ৪২ শতাংশ। ভর্তির দিক থেকে বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের নারীরা এগিয়ে। তবে ঝরে পড়ার হারও বেশি।

নারী শিক্ষার অগ্রগতিতে এ সময় মালালা ফাউন্ডেশন থেকে চারটি দাবি জানানো হয়। এর মধ্যে রয়েছে। মেয়েদের মতামতের মূল্যায়ন। ন্যায্যতাভিত্তিক শিক্ষাবিষয়ক বৈশ্বিক কর্মপন্থা তৈরি করা। নেতাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং আফগানিস্তানের জন্য অবস্থান নেওয়া।

রবিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২

সরকারি কোম্পানি বাজারে আনতে শুধু বৈঠকই সার

সরকারি কোম্পানি বাজারে আনতে শুধু বৈঠকই সার

 


পুঁজিবাজারে ভালো শেয়ারের সরবরাহ বাড়াতে সরকারের শীর্ষ পর্যায় মুখে মুখেই কথা বলছে বেশি। সরকার কখনো কখনো নামকাওয়াস্তে চিঠি দিচ্ছে সরকারি কোম্পানিগুলোকে।

এমন বাস্তবতায় গত বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ পুঁজিবাজার উন্নয়নে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের প্রস্তাবনা বাস্তবায়নে আবার বৈঠক করেছে। পুঁজিবাজার উন্নয়নে অংশীজনদের নিয়ে অর্থমন্ত্রী সর্বশেষ বড় বৈঠক করেছিলেন কোভিড-১৯ শুরু হওয়ার আগে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে। বরাবরের মতো এটিও নিষ্ফলা হয়েছে বলে জানা গেছে। বৈঠকে বিএসইসির পক্ষ থেকে বিভিন্ন সরকারি কোম্পানিকে পাঠানোর তাগিদ নিয়েও আলোচনা হয়।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল গতকাল রোববার বলেন, ‘খুব আশাবাদী ছিলাম প্রতিষ্ঠানগুলো শেয়ারবাজারে আসবে। রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। পর্ষদ নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত নেয় বলে কাজটা হয়নি।’

সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে সিদ্ধান্ত দেওয়ার পরও সরকারি প্রতিষ্ঠানের পর্ষদের কী সাধ্য আছে তা অমান্য করার, এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘তারা না-ই আসতে চাইতে পারে। তবে বিকল্প হিসেবে আমরা এবার আইন সংশোধন করে তাদের বাজারে আসতে বাধ্য করতে পারি।’

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সরকারি কোম্পানির শেয়ার ছাড়া নিয়ে প্রথম সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল ২০০৫ সালের মাঝামাঝিতে বিএনপি আমলের প্রয়াত অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে। ৬৬টি কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠান তখন চিহ্নিত করা হয়। এরপর ২০০৫ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে পাওয়ার গ্রিড, ডেসকো, তিতাস গ্যাসসহ পাঁচটি কোম্পানি তালিকাভুক্ত হয়।

২০১০ সালের জানুয়ারিতে আওয়ামী লীগ আমলের অর্থমন্ত্রী প্রয়াত আবুল মাল আবদুল মুহিত তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৬৬ থেকে ২৬টিতে নামিয়ে আনে। কোম্পানিগুলোকে ছয় মাসের মধ্যে শেয়ার ছাড়ার প্রস্তুতি নিতে বলা হয়। এরপর বাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্‌লস। আর পুনরায় প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (রিপিট আইপিও) মাধ্যমে শেয়ার ছেড়েছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি)।

যেসব কোম্পানির শেয়ার ছাড়ার সিদ্ধান্ত আছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে নর্থওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি, বাখরাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লি., গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি, জালালাবাদ গ্যাস সিস্টেম লি., বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লি., সোনারগাঁও হোটেল, ছাতক সিমেন্ট ফ্যাক্টরি, লিকুফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস লি., সিলেট গ্যাস ফিল্ড, পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লি., বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড লি. এবং রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লি.।

এ ছাড়া রয়েছে প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ, চিটাগং ডকইয়ার্ড, কর্ণফুলী পেপার মিলস, বাংলাদেশ ইনস্যুলেটর অ্যান্ড স্যানিটারিওয়্যার ফ্যাক্টরি, আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লি., ইলেকট্রিসিটি জেনারেশন কোম্পানি অব বাংলাদেশ লি., বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, টেলিটক, বাংলাদেশ কেব্‌ল শিল্প লিমিটেড ও টেলিফোন শিল্প সংস্থা।

ব্যাংক খাতের মধ্যে রয়েছে সোনালী, অগ্রণী, জনতা ও বিডিবিএল এবং ইতিমধ্যে তালিকাভুক্ত রূপালী ব্যাংকের আরও শেয়ার ছাড়া। জানা গেছে, টেলিটক, কর্ণফুলী পেপার মিল, বাংলাদেশ ইনস্যুলেটর ও স্যানিটারিওয়্যার, ছাতক সিমেন্ট কারখানাসহ কয়েকটি কোম্পানির শেয়ার ছাড়ার বিপক্ষে বিএসইসি।

বিএসইসি বাজারে আসার মতো কোম্পানিগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের (এমডি) সম্প্রতি আলাদা করে চিঠি পাঠিয়েছে। যেমন বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির এমডি শংকর মজুমদারকে পাঠানো এক চিঠিতে বিএসইসি বলেছে, ‘আপনার প্রতিষ্ঠানের বর্তমান মানদণ্ডের ক্রমাগত উৎকর্ষ অর্জন এবং রূপকল্প ২০৪১–এর বাস্তবায়নে বৈশ্বিক বাজারে পদার্পণের জন্য পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তি অতীব জরুরি।’

বিএসইসির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘আমরা তাগিদ দিয়েই যাচ্ছি। এবার কিছু কোম্পানির ইতিবাচক মনোভাব দেখা যাচ্ছে। আমরা আশাবাদী।’

বাখরাবাদ গ্যাসের এমডি শংকর মজুমদারকে গতকাল একাধিকবার মুঠোফোনে চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি বলে এ বিষয়ে তাঁর মন্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির বৈঠকে রাষ্ট্রমালিকানাধীন পাঁচটি ব্যাংকের শেয়ার ছাড়ার জন্য ওই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী।

এর মধ্যে রূপালী ব্যাংকের প্রায় ১০ শতাংশ শেয়ার বাজারে রয়েছে। নতুন করে এটির আরও ১০ শতাংশ শেয়ারবাজারে ছাড়তে চায় সরকার। এর বাইরে ধাপে ধাপে বাকি চারটি ব্যাংকেরও ২৫ শতাংশ শেয়ার বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। এ ঘোষণারও কোনো বাস্তবায়ন নেই।

সরকারি কোম্পানির তালিকাভুক্তি নিয়ে বিএসইসি চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলাম গত শনিবার এক গোলটেবিল বৈঠকে বলেন, অর্থমন্ত্রী চাচ্ছেন সরকারি কোম্পানিগুলো বাজারে আনতে, কিন্তু কোম্পানিগুলোর পর্ষদ চায় না। এসব কোম্পানির পরিচালনায় গতিশীলতা আনতে পর্ষদগুলো ভেঙে দেওয়া উচিত।

আড়ম্বর ও গাম্ভীর্যে রানির শেষকৃত্য

আড়ম্বর ও গাম্ভীর্যে রানির শেষকৃত্য

 


রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের শেষকৃত্যের চূড়ান্ত পর্বটি আজ সোমবার শুধু যুক্তরাজ্যের জাতীয় শোক প্রকাশের উপলক্ষ নয়, বরং একই সঙ্গে হয়ে উঠছে সাম্প্রতিক বিশ্বের সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক সমাবেশ।

ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবে গির্জায় ধারণক্ষমতা দুই হাজার। তাই পাঁচ শতাধিক বিদেশি অতিথির বাইরে অন্যদের সেখানে প্রবেশাধিকার সীমিত থাকবে। তবে যেখানে রানির মরদেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়েছিল সেই ওয়েস্টমিনস্টার হল থেকে ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে নেওয়া এবং লন্ডন থেকে তাঁর নির্ধারিত সমাধিস্থল উইন্ডসর ক্যাসলে নেওয়ার পথে বিপুল জনসমাগম ঘটবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের কফিনের ওপর রাখা হয়েছিল ইম্পিরিয়াল স্টেট ক্রাউন
রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের কফিনের ওপর রাখা হয়েছিল ইম্পিরিয়াল স্টেট ক্রাউন
ছবি: এএফপি

ইউরোপ ও আরব দেশগুলোর রাজা-বাদশাহ, জাপানের সম্রাট ও বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টসহ শতাধিক রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের জন্য যে ধরনের নিরাপত্তা প্রয়োজন, তার ব্যবস্থা করতে লন্ডনে যেমন নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হয়েছে, তেমনই সর্বসাধারণের অংশগ্রহণ ও চলাচলের সুযোগও বহাল রাখতে হয়েছে।

এই দুইয়ের সমন্বয় করতে গিয়ে বিদেশি অতিথিদের জন্য পরামর্শ ছিল বাণিজ্যিক যাত্রী বিমানে যাতায়াত করার এবং অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার মূল অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য সরকারিভাবে ঠিক করা বাস ব্যবহারের।

আরও পড়ুন

কেমন ছিল রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ ও ডায়ানার সম্পর্ক

কেমন ছিল রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ ও ডায়ানার সম্পর্ক

যাঁরা সাধারণ যাত্রী বিমানে না এসে বিশেষ বিমানে ভ্রমণ করেছেন, তাঁদের বিমান হিথরো, গ্যাটউইক কিংবা লুটনেও নামতে দেওয়া হয়নি। শুধু লন্ডনে স্ট্যান্সটেড বিমানবন্দরে সেগুলো অবতরণের ব্যবস্থা রাখা হয়।

বাসে চেপে অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পরামর্শে প্রশ্ন ওঠে, প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে কি বাসে চড়ানো হবে? যুক্তরাজ্য সরকারের তরফে তখন জানানো হয়, প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে ছাড় দেওয়া হয়েছে, তিনি তাঁর বিস্ট ওয়ান নামে পরিচিত নিজস্ব গাড়িতেই চড়বেন। ছাড় পেয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট মাখোঁও। দ্বিস্তরের এ ব্যবস্থা নিয়ে বিবিসির প্রশ্নের জবাবে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন অবশ্য বলেছেন, বাসে চড়ায় তিনি কোনো সমস্যা দেখেন না।

রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ
রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ
ছবি: রয়টার্স ফাইল ছবি

বাড়তি নিরাপত্তার জন্য লন্ডনের কেন্দ্রে কিছুটা জায়গায় বাসসহ সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হলেও লোকজনের যাতায়াত বন্ধ করা হয়নি। সাত থেকে দশ লাখ মানুষ ছয় থেকে আট ঘণ্টা লাইনে অপেক্ষা করে রানির কফিনে শ্রদ্ধা জানাতে গেছেন।

তাঁদের সবাইকে বিমানবন্দরের মতো নিরাপত্তা তল্লাশির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। তাঁদের সবাই যে যুক্তরাজ্যের বাসিন্দা তা–ও নয়, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দূর থেকেও অনেকে এসেছেন। ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রতি বৈশ্বিক কৌতূহল বা আগ্রহের পুরোটাই যাতে আত্মস্থ করা সম্ভব হয়, সে জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় কোনো ঘাটতি রাখা হয়নি।

আরও পড়ুন

যতবার পর্দায় এসেছে রানি এলিজাবেথ ও রাজপরিবারের কাহিনি

যতবার পর্দায় এসেছে রানি এলিজাবেথ ও রাজপরিবারের কাহিনি

রানির পরিণত বয়সে আকস্মিক মৃত্যু হলেও তাঁর এ শেষকৃত্যের অতি দীর্ঘ আচার-আয়োজন হঠাৎ কিছু নয়। এর পেছনে আছে দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা। লন্ডন ব্রিজ ইজ ডাউন বা অপারেশন লন্ডন ব্রিজ নামের এ আয়োজন মূলত পুরোটাই সামরিক কার্যক্রম। রানির ৭০ বছরের রাজত্বকালে বহুবার এ পরিকল্পনার হালনাগাদ করা হয়েছে।

পরিকল্পনা তৈরিতে মুখ্য ভূমিকা ছিল সেনাবাহিনী ও চার্চের, অর্থাৎ রানি খ্রিষ্টধর্মের যে প্রোটেস্ট্যান্ট ধারার প্রধান ছিলেন, সেই ধারার যাজকদের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোয় যাঁরা নেতৃত্ব দেন, তাঁদের। চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ অ্যাডমিরাল স্যার টনি রাডাকিন বিবিসিকে জানান যে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার শেষযাত্রায় তিন বাহিনীর ছয় হাজার সদস্য অংশ নিলেও পুরো কার্যক্রমে নিয়োজিত আছেন মোট দশ হাজার সেনাসদস্য।

এ আয়োজনে সৌদি রাজপরিবারের প্রতিনিধি হিসেবে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের উপস্থিতির খবরে মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো প্রতিবাদ জানাতে শুরু করে। শেষ পর্যন্ত সৌদি আরবের প্রতিনিধিত্ব করছেন প্রিন্স তুর্কি আল ফয়সল।

রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ
রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ 
রয়টার্স ফাইল ছবি

চীনা দূতাবাসের একটি প্রতিনিধিদল ওয়েস্টমিনস্টার হলে রানির কফিনে শ্রদ্ধা জানাতে চাইলে হাউস অব কমন্সের স্পিকার লিন্ডসে হয়েল তার অনুমতি দেননি। কয়েকজন এমপির ওপর চীন সরকারের আরোপিত নিষেধাজ্ঞার কারণেই তিনি পার্লামেন্টের চৌহদ্দিতে তাঁদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের পটভূমিতে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটায় রুশ প্রেসিডেন্টকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তবে লন্ডনে নিয়োজিত রুশ রাষ্ট্রদূত শেষকৃত্যে অংশ নেবেন বলে কথা আছে।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে লিজ ট্রাস দায়িত্ব গ্রহণের পর মন্ত্রিসভা গঠন সম্পন্ন হওয়ার আগেই রানির মৃত্যু হয় এবং এই বিশালাকারের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। রানির মৃত্যুর পর থেকে তাঁর মরদেহ সমাহিত হওয়া পর্যন্ত বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোয় রানির মরণোত্তর আয়োজনগুলো সংবাদ শিরোনাম হয়ে আছে।

টেলিভিশনের পর্দায় এ উপস্থিতি শুধু আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনের বড় বড় আসরের সঙ্গে তুলনীয়। ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য যে ৩৭ বছরের মধ্যে সবচেয়ে নিচে নেমে গেছে, মূল্যস্ফীতি রেকর্ড ১০ শতাংশের ঘরে এবং জ্বালানিসংকটের কারণে আসন্ন শীতে জীবনহানির শঙ্কা, এ সবকিছুই চাপা পড়েছে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যু ও তাঁর শেষকৃত্যের আড়ম্বরপূর্ণ অথচ গাম্ভীর্যময় আয়োজনের নিপুণ ব্যবস্থাপনায়।


নিশি রাতের সরকারকে না হটানো পর্যন্ত আন্দোলন চলবে

নিশি রাতের সরকারকে না হটানো পর্যন্ত আন্দোলন চলবে

 বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ বলেছেন, বর্তমান সরকার মানুষের ভোটে নির্বাচিত হয়নি। এ সরকার রাতের আঁধারে ভোট কেটে ক্ষমতায় রয়েছে। নিশি রাতের এ সরকারকে না হটানো পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।

শামা ওবায়েদ সরকারের উদ্দেশে বলেন, ‘ঢাকায় এসি রুমে বসে জনগণ বেহেশতে আছে বলছেন? গ্রাম অঞ্চলে আসেন, দেখেন জনগণ কোন


অবস্থায় আছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য যেভাবে বাড়িয়েছেন, তাতে জনগণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এখনো সময় আছে সাধারণ জনগণের পাশে আসুন, তাদের কাছে ক্ষমা চান, তাতে জনগণ ক্ষমা করলেও করতে পারেন।’

সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি হাবীবুর রহমান তালুকদার। বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান, সহসভাপতি মাহবুব আলী মিয়া, ঢাকা উত্তর যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক হাফিজুর রহমান, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আলিমুজ্জামান, জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক হেলালুদ্দিন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মাহমুদুল হাসান, শ্রমিক দলের সভাপতি মাসুদ রানা প্রমুখ।

চবিতে ছাত্রলীগের ফের অবরোধের ডাক

চবিতে ছাত্রলীগের ফের অবরোধের ডাক

 বিবাহিত ও চাকরিজীবীদের বাদ দিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রলীগের কমিটি পুনর্গঠন-বর্ধিত করার দাবিতে অবরোধের ডাক দেওয়া হয়েছে।


চবি শাখা ছাত্রলীগের একাংশের নেতা-কর্মীদের ডাকা এই অবরোধ আজ সোমবার ভোর সাড়ে পাঁচটায় শুরু হয়। অবরোধের কারণে বন্ধ রয়েছে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বহনকারী বাস। এ ছাড়া আটকে আছে শাটল ট্রেন। এতে স্থগিত হতে পারে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান ক্লাস ও পরীক্ষা।

জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন দপ্তরের প্রশাসক এস এম মোয়াজ্জেম হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে কয়েকজন এসে পরিবহন দপ্তরের ফটকে তালা দেন। এ সময় তাঁরা কয়েকটি বাসের চাবিও নিয়ে যান। তাই ক্যাম্পাস থেকে কোনো বাস নগরের উদ্দেশে ছেড়ে যেতে পারেনি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক চৌধুরী আমির মোহাম্মদ মুছা প্রথম আলোকে বলেন, শিক্ষকদের বাস চলাচল বন্ধ থাকায় তিনি নিজেও ক্যাম্পাসে আসতে পারেননি। শিক্ষকেরা ক্যাম্পাসে আসতে না পারলে পরীক্ষা স্থগিত হওয়া স্বাভাবিক।তবে এ বিষয়ে এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। পরীক্ষা স্থগিতের বিষয়ে বিভাগের সভাপতিরা সিদ্ধান্ত নেবেন।

শুক্রবার, ১৮ জুন, ২০২১

HSC, SSC Grades দেওয়ার বিষয় নিয়ে পরিকল্পনা চলছে

HSC, SSC Grades দেওয়ার বিষয় নিয়ে পরিকল্পনা চলছে


 এইবার এসাইনমেন্ট এর মাধ্যমে HSC, SSC Grades দেওয়ার বিষয় নিয়ে পরিকল্পনা চলছে। 


যদিও এখনো এ বিষয়ে পুরোপুরি আদেশ জারি হয়নি।

নিখোঁজ আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনান ও মুহিত উদ্ধার

নিখোঁজ আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনান ও মুহিত উদ্ধার


 আলহামদুলিল্লাহ! তিনি ছাড়া পেয়েছেন।

তাকে উদ্ধার করা হয়েছে, কিংবা তাকে খুঁজে পাওয়া গেছে - আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং তাদের দোসর মিডিয়ার এই বক্তব্য মূলত আবু ত্বহা মুহাম্মাদের প্রতি তাদের দুষ্কর্মকে ঢাকা দেওয়ার অপচেষ্টা মাত্র।

তবু আলহামদুলিল্লাহ! কোটি মানুষের হৃদয়ের আকুতি ও চোখের জল আল্লাহ দ্রুত কবুল করেছেন। ❤️

নিখোঁজ আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনান ও মুহিত উদ্ধার। 


 মুহিতের পরিবার এবং আদনানের মামা বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।💜