আগামীকাল ২৯ জুন, সোমবার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের #বাজেট পাস প্রসঙ্গে অভিজ্ঞতা অর্জন ও দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক গবেষণার জন্য জাতীয় #সংসদে মাননীয় স্পিকারের নিকট হতে নানা জটিলতার মধ্য দিয়ে উপস্থিত থাকার অনুমতি পেয়েছে। #মির্জাপুরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ #বাবলুর রহমানের পুত্র এবং এলাকার কৃতি সন্তান মোঃ হাসান আলী #সজল (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী) এছাড়াও তার সাথে উপস্থিত থাকবে তার আরো কয়েকজন সহপাঠী,শিক্ষক ও রাবির অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান ড.এ.এন.কে নোমান। তার জন্য শুভকামনা রইল।
বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৪
ভুল করে অন্য নাম্বারে টাকা পাঠানো বন্ধে ব্যবস্থা নিল বিকাশ অ্যাপ
গ্রাহকের লেনদেন আরও নির্ভুল ও সুরক্ষিত করতে বিকাশ অ্যাপের ‘সেন্ড মানি’ সেবায় যুক্ত হলো আরও একটি সতর্কীকরণ ধাপ বা ‘ডিসক্লেইমার’। সেভ করা নাম্বারের বাইরে অন্য কোনো নাম্বারে তাড়াহুড়ো করে সেন্ড মানি করার সময় ভুল নাম্বারে টাকা পাঠানোর বিড়ম্বনা এড়াতেই বিকাশ অ্যাপে এই সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে।
এখন থেকে বিকাশ অ্যাপে সেভ করা নাম্বার ছাড়া অন্য কোনো নাম্বারে ‘সেন্ড মানি’ করার সময় একটি ‘ডিসক্লেইমার প্রম্পট’ বা সতর্কীকরণ বার্তা দেখা যাবে, যেখানে বলা আছে ‘নাম্বারটি সঠিক কি না তা অনুগ্রহ করে আবার চেক করুন’। সেই অনুযায়ী নাম্বারটি নিশ্চিত হয়ে পরবর্তী ধাপে টাকার পরিমাণ উল্লেখ করে সেন্ড মানি করলেই ভুল নাম্বারে টাকা পাঠনোর কোনো বিড়ম্বনা থাকে না।
‘সেন্ড মানি অটো পে’ সেট করার সময় এবং ‘গ্রুপ সেন্ড মানি’-তে সেভ করা নাম্বারের বাইরে অন্য কোনো নাম্বার যোগ করার সময়েও এই সুবিধা পাওয়া যাবে।
এছাড়া আরও কিছু বিষয়ে নজর রাখলে ভুল নাম্বারে টাকা পাঠানোর কোনো বিড়ম্বনাই থাকে না-
১. নতুন কোনো নাম্বারে সেন্ড মানি করার আগে প্রাপকের সাথে কথা বলে নাম্বারটি নিশ্চিত করে নেয়া যেতে পারে।
২. সেভ করা নাম্বার ছাড়া অন্য কোনো নাম্বারে সেন্ড মানি করার সময় নাম্বারটি কয়েকবার মিলিয়ে নেয়া ভালো।
৩. টাকার পরিমাণ প্রবেশ করার পর টাকার অংক ঠিক আছে কি না তা দেখে নেয়া দরকার।
৪. ভুল নাম্বারে টাকা পাঠিয়ে ফেললে দ্রুত বিকাশ হেল্পলাইন ১৬২৪৭, অফিশিয়াল ওয়েবসাইট/ লাইভ চ্যাট অথবা ফেসবুক পেজে যোগাযোগ করতে হবে।

সুরক্ষিত এই সেন্ড মানি সেবার পাশাপাশি এই মুহূর্তে বিকাশ গ্রাহকরা মোবাইল রিচার্জ, ক্যাশ ইন, ক্যাশ আউট, মার্চেন্ট পেমেন্ট, অ্যাড মানি, ইউটিলিটি বিল পেমেন্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ফি পরিশোধ, ই-টিকেটিং, ডোনেশন, বিদেশ থেকে রেমিটেন্স গ্রহণ, ইন্স্যুরেন্স ও মাইক্রোফাইন্যান্স এর পেমেন্ট, ডিজিটাল ন্যানো লোন ও সেভিংসসহ নানান সেবা ব্যবহার করছেন।
সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২
নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণ পাবেন ৪ লাখ শিক্ষক
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ‘নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে মূল সেনানী হচ্ছেন শিক্ষকরা। পথচলার শুরুর দিকেই আছি আমরা। সবাই মিলে শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে পারবো। সরকার নতুন এ শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে প্রায় চার লাখ শিক্ষককে প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।’
মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ‘জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা ২০২১’ বাস্তবায়নে অনলাইন শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবু বক্কর ছিদ্দীক, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব কামাল হোসেন, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. ফরহাদুল ইসলাম।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষকরা এতদিন যে আঙ্গিকে শিখন কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন, এখন তা পাল্টে যাচ্ছে। সম্পূর্ণ ভিন্ন আঙ্গিকে তাদের শিখন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। শিক্ষায় এই যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন, এতে শিক্ষকদের প্রস্তুত করার জন্য প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। এজন্য আমরা মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রত্যেক শিক্ষককে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিয়েছি।
তিনি বলেন, সারা দেশের সব শিক্ষককে একই সময়ে একই ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। শিক্ষকরা যাতে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে পারেন, তা নিশ্চিত করা হবে।
ডা. দীপু মনি বলেন, শিক্ষাক্রমে যে পরিবর্তন আনা হচ্ছে, তাতে আমাদের প্রস্তুতিটাও ব্যাপক। নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় যে বাধা আসবে, তা হলো- আমাদের মনোভাব, দৃষ্টিভঙ্গি, অভ্যাস। শিক্ষার্থীরা কত নম্বর পেলো, বছর শেষে তার রোল নম্বর কত হলো, তা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। এর ওপর আমরা যত বেশি জোর দেই, তার থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। শিক্ষার্থীরা কতটা শিখছে, ভালো মানুষ হচ্ছে, দৃষ্টিভঙ্গি কতটা প্রসারিত হচ্ছে, কতটা মানবিক মানুষ হচ্ছে, তার সৃজনশীলতা কতটুকু বিকশিত হচ্ছে, সেটা দেখার মতো দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হচ্ছে কি না সেটা খুব জরুরি।
মাধ্যমিকে ক্লাস পরীক্ষায় ফল বিপর্যয়, ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত ফেল
দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এ প্রতিষ্ঠানে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত মাধ্যমিক শ্রেণির অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার ফল উদ্বেগজনক। অধিকাংশ শ্রেণিতে পাসের হার ৫০ শতাংশের নিচে। সর্বোচ্চ ফেল প্রায় ৯৫ শতাংশ। আরেক সেরা স্কুল গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরির অবস্থাও করুণ। প্রতিষ্ঠানটিতে একটি শ্রেণির পাসের হার ১৩ দশমিক ৬৬। টেস্টে একটি বিভাগে পাসের হার আবার শূন্য। হলিক্রসসহ রাজধানীর অন্য নামি স্কুলগুলোর চিত্রও সন্তোষজনক নয়। করোনাভাইরাস পরবর্তী বিভিন্ন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের এ অবনতি বলে মনে করছেন শিক্ষক, অভিভাবক ও স্বয়ং শিক্ষার্থীরা।
এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-অভিভাবকরা বলছেন, করোনার কারণে দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। সেই ছুটি ও তৎপরবর্তী সময়ে মোবাইল ফোন, টিভি এবং অন্যান্য ডিভাইসে শিক্ষার্থীরা ঝুঁকে পড়ে বেশি, কেউ কেউ আসক্তও হয়। এই আসক্তিই পাঠ্যবইয়ের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ নষ্ট করে দিয়েছে। নিয়মিত হাতের লেখার চর্চা না থাকায় কমেছে অনেকের লেখার গতি। যে কারণে পরীক্ষায় তারা যথাযথ উত্তর লিখতে ব্যর্থ হচ্ছে।
রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের (মূল শাখা, বেইলি রোড) মাধ্যমিকের সবগুলো শ্রেণির ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২২ সালের মাধ্যমিক পর্যায়ের অর্ধ সাময়িক পরীক্ষায় বাংলা ভার্সনে নবম শ্রেণিতে বিজ্ঞান বিভাগে ১৬৫৮ জন পরীক্ষা দিয়ে ফেল করেছে ১০৭৩ জন। ফেলের হার ৭৩ দশমিক ৭০ শতাংশ। এ বিভাগে বেশি ফেল উচ্চতর গণিতে, ৬২ দশমিক ৯৬ শতাংশ। এরপরই গণিতে ৫১ দশমিক ৩১ শতাংশ, রসায়নে ৪১ দশমিক ৬৯ শতাংশ, জীববিজ্ঞানে ৩৬ দশমিক ২৬ শতাংশ শিক্ষার্থী ফেল করেছে। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩ দশমিক ৬৬ শতাংশ ছাত্রী পেয়েছে জিপিএ-৫।
বাবসায় শাখার ফলে দেখা যায়, ১৭৭ জন অর্ধসাময়িক পরীক্ষা দিয়ে মাত্র ১৯ জন পাস করেছে, ফেল করেছে ১৫৮ জন। ফেলের হার ৮৯ দশমিক ২৭ শতাংশ। একজনও জিপিএ-৪ পায়নি। বিভাগভিত্তিক গণিতে ৮৭ দশমিক ০১ শতাংশ ছাত্রী ফেল করেছে। এরপর ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিষয়ে ৩৭ দশমিক ২৯ শতাংশ, অ্যাকাউন্টিংয়ে ৩৬ দশমিক ১৬ শতাংশ, বাংলায় ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ ফেল করেছে।
মানবিক বিভাগে দেখা যায়, ৭৩ জনের মধ্যে মাত্র চারজন পাস করেছে। ফেলের হার ৯৪ দশমিক ৫২ শতাংশ। এ বিভাগে কেউ জিপিএ-৫ পায়নি। বেশি ফেল গণিতে ৮৪ দশমিক ৯৩ শতাংশ। এরপর রিলেজিয়ান অ্যান্ড মোরাল এডুকেশনে ৮০ দশমিক ৮২ শতাংশ, ইতিহাসে ৭৬ দশমিক ৭১ শতাংশ, হোম সায়েন্স, ইকোনমিক্স, বাংলা, ইংরেজি বিষয়ে ৫০-৬০ শতাংশের ওপরে ফেলের হার।
ভিকারুননিসায় চলতি বছরের অর্ধবার্ষিক পরীক্ষায় ষষ্ঠ শ্রেণিতে ১৭৯৮ জনের মধ্যে পাস করেছে ৭১০ জন। পাসের হার ৩৯ দশমিক ৪৯ শতাংশ, ফেলের হার ৬০ দশমিক ৫১ শতাংশ। এ স্তরে বিজ্ঞানে ৪২ দশমিক ৭৭ শতাংশ, গণিতে ৩৯ দশমিক ২৭ শতাংশ, বাংলাদেশ ও গ্লোবাল স্ট্যাডিজে ৩৮ দশমিক ২৭ শতাংশ, বাংলায় ২৪ দশমিক ২৫ শতাংশ ফেল করেছে।
এসএসসি: বাংলা দ্বিতীয় পত্রে অনুপস্থিত ৩৩৪৭৯, বহিষ্কার ৮১
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনে বাংলা দ্বিতীয় পত্রে সারাদেশে ৩৩ হাজার ৪৭৯ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ১৬ হাজার ৩২২, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ১০ হাজার ৮৬৯ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৬ হাজার ২৮৮ জন। আর অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ৮১ পরীক্ষার্থীকে।
এর আগে প্রথম দিন অর্থাৎ গত ১৫ সেপ্টেম্বর অনুপস্থিত ছিল ৩৩ হাজার ৮৬০ পরীক্ষার্থী। আর অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার হয়েছিলেন ২৬ পরীক্ষার্থী।
শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকারের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এদিন দেশের তিন হাজার ৬৮১টি কেন্দ্রে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৯ লাখ ৩২ হাজার ১২১ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১৮ লাখ ৯৮ হাজার ৬৪২ জন। এই হিসেবে অনুপস্থিত ছিল ৩৩ হাজার ৪৭৯ জন, শতাংশের হিসেবে যা ১ দশমিক ৭৩ শতাংশ।
অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ঢাকা বোর্ডে ৬ জন, রাজশাহী বোর্ডে ৫ জন, কুমিল্লা বোর্ডে ২ জন, দিনাজপুর বোর্ডে ৭ জন, ময়মনসিংহ বোর্ডে ২ জন, মাদরাসা বোর্ডে ৫২ জন এবং কারিগরি বোর্ডে ৭ জন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
সাধারণত এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে শুরু হয়। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে নির্ধারিত সময়ে এ পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। পিছিয়ে যাওয়া এ পরীক্ষা গত ১৯ জুন শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সিলেটসহ কয়েকটি জেলায় ব্যাপক বন্যা দেখা দিলে গত ১৭ জুন পরীক্ষা স্থগিত করে সরকার। এর আগে গত বছর নয় মাস পিছিয়ে নভেম্বরে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে তিন বিষয়ে এ পরীক্ষা নেওয়া হয়।
এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ২০ লাখ ২১ হাজার ৮৬৮ জন। ৩ হাজার ৭৯০টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এ পরীক্ষা। এতে অংশ নিচ্ছে ২৯ হাজার ৫৯১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীরা। এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে পুনর্বিন্যস্ত পাঠ্যসূচি অনুযায়ী। ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং বিজ্ঞান-এসব বিষয়ের পরীক্ষা না নিয়ে সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হবে।
২০২৩ সালের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা সব বিষয়ে
আগামী বছর (২০২৩ সাল) থেকে সব বিষয়ে এসএসসি-এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা হবে। তবে সব বিষয়ে পরীক্ষা হলেও পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, ২০২৩ সালেও পরীক্ষা হবে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড প্রণীত পুনর্বিন্যাস করা পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে।
রোববার (১৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ২০২৩ সালে এসএসসি পর্যায়ে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) পরীক্ষার পূর্ণ নম্বর হবে ৫০। তবে অন্য প্রতিটি বিষয়ে তিন ঘণ্টা সময়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর এইচএসসি পর্যায়ে প্রতিটি বিষয়ে তিন ঘণ্টা সময়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
স্বাভাবিক সময়ে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা হতো বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে। আর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা হতো এপ্রিল মাসের শুরুতে। কিন্তু করোনার সংক্রমণের কারণে পুরো শিক্ষাপঞ্জি এলোমেলোভাবে চলছে। এছাড়া দুই বছর ধরে কখনো পরীক্ষা ছাড়াই ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। আবার কখনো পরীক্ষা হলেও সব বিষয়ে হয়নি।
এ অবস্থায় আগামী বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে এক মাস পেছাতে পারে। অর্থাৎ এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে শুরু না হয়ে এক মাস পেছাতে পারে।
দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার ৭৫ শতাংশ
সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) মালালা ফাউন্ডেশনের এক সংবাদ সম্মেলনে এমন মন্তব্য করেন পিপলস্ ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রাম ইমপ্লিমেন্টেশনের (পপি) নির্বাহী পরিচালক মোরশেদ আলম সরকার।
তিনি জানান, শিক্ষায় বৈষম্যের শিকার হাওর, চরাঞ্চল ও দুর্যোগপ্রবণ এলাকার শিক্ষার্থীরা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৈষম্যের শিকার নারী ও শিশুরা। এসব অঞ্চলে জানুয়ারি থেকে দুই মাস ধান চাষ ও কাটার সময় থাকায় জীবিকা নির্বাহে শিক্ষার্থীরা মাঠে কর্মরত থাকে। ফলে শিক্ষাবর্ষের বিশাল একটি সময় তাদের নষ্ট হয়। শিক্ষাবর্ষের সময় পরিবর্তনের বিষয়ে সরকারকে বিভিন্ন সময় অবহিত করা হলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. মঞ্জুর আহমেদ জানান, প্রাথমিকে ঝরে পড়ার পর ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির হার ৬০ শতাংশ, দশম শ্রেণি পর্যন্ত তা ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ এবং দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত আসতে পারে ১০ থেকে ১২ শতাংশ শিক্ষার্থী। আবার এসব শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা উত্তীর্ণ হয়ে ফেরেন তাদের শিক্ষার মান নিয়েও রয়েছে সংশয়।
তিনি জানান, ২০১৫ সালে ২০৩০ সাল পর্যন্ত শিক্ষার যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, ২০২২ সাল পর্যন্ত অর্ধেক সময় চলে গেলেও অর্জন কাঙ্ক্ষিত লক্ষমাত্রা থেকে অনেক পিছিয়ে। করোনার দুই বছরে এ লক্ষ্যমাত্রা থেকে আমরা আরও পিছিয়ে পড়েছি।

করোনায় শিক্ষায় যে ক্ষতি হয়েছে সরকার পক্ষ থেকে তা অস্বীকার করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার ঘাটতি পূরণ করতে হলে প্রথমে আমাদের ঘাটতির কথা স্বীকার করতে হবে। এ ঘাটতি পূরণে কমপক্ষে দুই বছরের পরিকল্পনা করতে হবে। বিশ্বের সব দেশেই এই ঘাটতি হয়েছে। তারা তা স্বীকার করে পূরণে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা সেই কাজ না করেই আবার নতুন কারিকুলাম নিয়ে কাজ করছি।
শিক্ষা ব্যবস্থায় সামগ্রিক পরিকল্পনা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে এই শিক্ষাবিদ জানান, এর আগে আমরা বারবার শিক্ষার সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছি। তবে বর্তমানে সংস্কার নয়, রূপান্তর প্রয়োজন। শিক্ষায় প্রথম বাধা অর্থায়ন, যে পরিমাণ বরাদ্দ দেওয়া হয় তা দিয়ে মানসম্মত শিক্ষা বাস্তবায়ন কখনও সম্ভব নয়। শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক এবং কারিগরি ও মাদরাসা এই তিন ভাগে বিভক্তিকরণকে শিক্ষার মানোন্নয়নের অন্যতম আরেকটি বাধা হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
মূল বক্তব্যে মালালা ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের কান্ট্রি ইনচার্জ মোশাররফ তানসেন জানান, বাংলাদেশে নারী শিক্ষার্থীদের প্রাথমিকে ভর্তির হার ৫১ শতাংশ ও মাধ্যমিকে ৫৪ শতাংশ। তবে ঝরে পড়ার হারও ৪২ শতাংশ। ভর্তির দিক থেকে বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের নারীরা এগিয়ে। তবে ঝরে পড়ার হারও বেশি।
নারী শিক্ষার অগ্রগতিতে এ সময় মালালা ফাউন্ডেশন থেকে চারটি দাবি জানানো হয়। এর মধ্যে রয়েছে। মেয়েদের মতামতের মূল্যায়ন। ন্যায্যতাভিত্তিক শিক্ষাবিষয়ক বৈশ্বিক কর্মপন্থা তৈরি করা। নেতাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং আফগানিস্তানের জন্য অবস্থান নেওয়া।
শুক্রবার, ১৮ জুন, ২০২১
HSC, SSC Grades দেওয়ার বিষয় নিয়ে পরিকল্পনা চলছে
এইবার এসাইনমেন্ট এর মাধ্যমে HSC, SSC Grades দেওয়ার বিষয় নিয়ে পরিকল্পনা চলছে।
যদিও এখনো এ বিষয়ে পুরোপুরি আদেশ জারি হয়নি।




