অর্থনীতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অর্থনীতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬

২৪ ঘন্টার ব্যবধানে Intel এর ১৭% শেয়ার দরের পতন হয়েছে

২৪ ঘন্টার ব্যবধানে Intel এর ১৭% শেয়ার দরের পতন হয়েছে

 ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে Intel এর মতো টেক জায়ান্ট কোম্পানির প্রায় ১৭% শেয়ার দরের পতন হয়েছে। কেন একটা বিলিয়ন ডলার ইন্ডাস্ট্রির কোম্পানি এভাবে আস্থাহীনতার শিকার হলো? 


এই প্রশ্নের উত্তরই ইন্টারনেট জুড়ে খোঁজার চেষ্টা করতেছিলাম। এর মাঝে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটা সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ খেয়াল করলাম যেইটা টেক ইন্ডাস্ট্রির বর্তমান জিওপলিটিক্যাল এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডাইনামিক্স বোঝার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর্টিকেলের মূল প্রতিপাদ্য "Intel Problems Trump Bump" । ওয়াশিংটনের পলিটিক্যাল হাওয়াবদল বা ট্রাম্প প্রশাসনের সম্ভাব্য প্রটেকশনিস্ট পলিসি হয়তো স্টক মার্কেটে সাময়িক চাঙ্গাভাব বা Bump তৈরি করতে পারে, কিন্তু Intel এর ফান্ডামেন্টাল এবং স্ট্রাকচারাল সমস্যাগুলো এর চেয়েও অনেক গভীরে আছে।


সেমিকন্ডাক্টর ইকোসিস্টেম নিয়ে যারা খোঁজখবর রাখেন, তারা জানেন যে Intel এর বর্তমান সংকট নিছক পলিসি বা ফান্ডিং এর অভাব নয়, বরং এইটা একটা দীর্ঘমেয়াদী এক্সিকিউশন গ্যাপ এর ফলাফল। NVIDIA যখন AI Computing এবং GPU আর্কিটেকচারে একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করছে এবং TSMC যখন ম্যানুফ্যাকচারিং প্রসেস বা লিথোগ্রাফিতে নতুন স্ট্যান্ডার্ড সেট করছে, Intel তখন নিজেদের লিগ্যাসি বিজনেস মডেল এবং ফাউন্ড্রি সমস্যার জট খুলতেই ব্যস্ত। ট্রাম্পের ট্যারিফ পলিসি হয়তো ইম্পোর্টেড চিপের ওপর শুল্ক বসিয়ে ডোমেস্টিক মার্কেটকে কিছুটা সুবিধা দিতে পারে, কিন্তু পলিসি দিয়ে তো আর সিলিকন Yield Rate বা প্রসেসর এফিশিয়েন্সি বাড়ানো সম্ভব নয়।



ইনটেলের জন্য এখনকার সময়টা "মেক অর ব্রেক" এর মতো হয়ে গেছে। তাদের IDM 2.0 স্ট্র্যাটেজি এবং ভবিষ্যৎ নির্ধারণকারী 18A প্রসেস নোড যদি টেকনিক্যালি এবং কমার্শিয়ালি সফল না হয়, তবে কোনো পরিমাণ সরকারি ভর্তুকি বা রাজনৈতিক আনুকূল্য এই জায়ান্টকে দীর্ঘমেয়াদে প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখতে পারবে না। ইনভেস্টররা হয়তো সেন্টিমেন্টের ওপর ভিত্তি করে আশবাদী হতে পারেন, কিন্তু ইঞ্জিনিয়ারিং রিয়েলিটি বলছে রিকভারির পথটা বেশ জটিল।


আমেরিকার ন্যাশনাল সিকিউরিটির জন্য হয়তো ইনটেলকে রাষ্ট্রীয়ভাবে বাঁচিয়ে রাখা হবে, কিন্তু সিলিকন ভ্যালির নিষ্ঠুর প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য পলিটিক্যাল ব্যাকআপ যথেষ্ট নয়, দরকার পিওর ইনোভেশন। এখন সামনে দেখার বিষয়, ইনটেল প্রযুক্তির এই দৌড়ে নিজেকে রি-ইনভেন্ট করে লিডারশিপ পুনরুদ্ধার করতে পারে, নাকি তারা ধীরে ধীরে কেবল একটা রাষ্ট্র সমর্থিত ম্যানুফ্যাকচারিং ব্যাকআপেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে।

রবিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২

২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিলে রিটার্নের প্রমাণপত্র দাখিল বাধ্যতামূলক নয়

২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিলে রিটার্নের প্রমাণপত্র দাখিল বাধ্যতামূলক নয়


 ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ গ্রহণে ব্যাংকে আয়কর রিটার্নের প্রমাণপত্র দাখিল বাধ্যতামূলক নয়। তবে ঋণগ্রহীতার করারোপযোগ্য আয় থাকা যাবে না। রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র ব্যাংকে জমা দিতে হয়। সার্বিকভাবে নিয়ম কিছুটা শিথিল করা হয়েছে। আজ রোববার সকালে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

বর্তমানে পাঁচ লাখ টাকার বেশি ঋণ আবেদন করলেই রিটার্নের প্রমাণপত্র ব্যাংকে জমা দিতে হয়। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও নিয়ম কিছুটা শিথিল হয়েছে। দুই লাখ টাকা পর্যন্ত ক্রেডিট কার্ডে লেনদেনের ক্ষেত্রেও আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক নয়। ব্যাংক ঋণ ও ক্রেডিট কার্ডে লেনদেনের এ শর্তসাপেক্ষ ছাড় আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত থাকবে।

চলতি অর্থবছরের বাজেটে ৩৮ ধরনের সেবায় রিটার্ন দাখিলের স্লিপ দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

যেসব সেবা পেতে রিটার্ন জমা দিতে হবে, সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো পাঁচ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র ক্রয়, ক্রেডিট কার্ড গ্রহণ, কোনো কোম্পানির পরিচালক বা শেয়ারহোল্ডার হওয়া, ব্যবসায়িক সমিতির সদস্যপদ গ্রহণ, সন্তান বা পোষ্যের ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে পড়ালেখা করা ও অস্ত্রের লাইসেন্স নেওয়া। এ ছাড়া উপজেলা, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন ও জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হলে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র দেখাতে হবে।

ব্যবসায়ীদের আস্থা অর্জন করতে হবে

ব্যবসায়ীদের আস্থা অর্জন করতে হবে

 ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসায়িক হিসাব খুলতে পারবেন ছোট ব্যবসায়ীরা। হিসাবটি ব্যবসায়িক হলেও তা হবে ব্যবসায়ীর নামে। ব্যাংক, মোবাইলে আর্থিক সেবা (এমএফএস) ও লেনদেন সেবা দাতা প্রতিষ্ঠানগুলোতে (পিএসপি) এই হিসাব খোলা যাবে। হিসাব খুলতে কোনো খরচ দিতে হবে না, আবার লেনদেনের ওপর মিলবে ঋণ। বাংলাদেশ ব্যাংকসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ ব্যাপারে নির্দেশনা দিয়েছে। এ বিষয়ে প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলেছেন ইউএনডিপি বাংলাদেশের কান্ট্রি ইকোনমিস্ট নাজনীন আহমেদ।

এ ধরনের উদ্যোগের প্রস্তাব আগেই বিভিন্নভাবে এসেছিল, কিন্তু আলোর মুখ দেখেনি। এখন যেহেতু এটা একটা জায়গায় চলে এসেছে সেহেতু সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে আন্তরিকতার সঙ্গে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উদ্যোগী হতে হবে। ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে।

ঋণপ্রাপ্তির মতো সুবিধার মাধ্যমে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তো বটেই, সামাজিক মাধ্যম বা ফেসবুকের মতো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যেসব নারী ছোটখাটো ব্যবসা পরিচালনা করছেন তাঁরাও এর সুফল পাবেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় উপকারভোগী হবেন অবিবাহিত নারী ও কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া শিক্ষার্থীরা। কারণ, তাঁরা ছোট করে ব্যবসা শুরু করলেও ব্যবসাটা বড় করার জন্য পরিবার বা আশপাশের মানুষ থেকে সহযোগিতা কম পান।

সোনার দাম ভরিতে কমছে ৯৩৩ টাকা

সোনার দাম ভরিতে কমছে ৯৩৩ টাকা

 সোনার দাম ভরিতে কমছে ৯৩৩ টাকা

জুয়েলার্স সমিতি সোনার দাম কমানোর এ সিদ্ধান্ত আজ রোববার রাতে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানায়। এতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে পাকা সোনার দাম কমেছে। তাই সমিতির স্ট্যান্ডিং অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সোনার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত হয়। নতুন দর আগামীকাল সোমবার থেকে সারা দেশে কার্যকর হবে।

সর্বশেষ ১৫ সেপ্টেম্বর সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ২৮৩ টাকা কমানো হয়। এতে ২২ ক্যারেট সোনার সোনার দাম দাঁড়ায় ৮৩ হাজার ২৮১ টাকায়।

জুয়েলার্স সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সোমবার থেকে হলমার্ক করা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার অলংকার কিনতে ৮২ হাজার ৩৪৮ টাকা লাগবে। এ ছাড়া হলমার্ক করা ২১ ক্যারেট সোনার ভরি ৭৮ হাজার ৬১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৬৭ হাজার ৪১৮ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরির দাম ৫৫ হাজার ৮৭১ টাকা। তবে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

দেশের বাজারে আজ রোববার পর্যন্ত ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার অলংকার ৮৩ হাজার ২৮১ টাকা, ২১ ক্যারেট ৭৯ হাজার ৪৯০, ১৮ ক্যারেট ৬৮ হাজার ১১৮ ও সনাতন পদ্ধতির সোনা ৫৬ হাজার ৪৫৪ টাকায় বিক্রি হয়েছে। সোমবার থেকে ২২ ক্যারেট সোনার ভরিতে ৯৩৩ টাকা, ২১ ক্যারেটে ৮৭৫, ১৮ ক্যারেটে ৭০০ ও সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরিতে ৫৮৩ টাকা কমছে।

সরকারি কোম্পানি বাজারে আনতে শুধু বৈঠকই সার

সরকারি কোম্পানি বাজারে আনতে শুধু বৈঠকই সার

 


পুঁজিবাজারে ভালো শেয়ারের সরবরাহ বাড়াতে সরকারের শীর্ষ পর্যায় মুখে মুখেই কথা বলছে বেশি। সরকার কখনো কখনো নামকাওয়াস্তে চিঠি দিচ্ছে সরকারি কোম্পানিগুলোকে।

এমন বাস্তবতায় গত বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ পুঁজিবাজার উন্নয়নে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের প্রস্তাবনা বাস্তবায়নে আবার বৈঠক করেছে। পুঁজিবাজার উন্নয়নে অংশীজনদের নিয়ে অর্থমন্ত্রী সর্বশেষ বড় বৈঠক করেছিলেন কোভিড-১৯ শুরু হওয়ার আগে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে। বরাবরের মতো এটিও নিষ্ফলা হয়েছে বলে জানা গেছে। বৈঠকে বিএসইসির পক্ষ থেকে বিভিন্ন সরকারি কোম্পানিকে পাঠানোর তাগিদ নিয়েও আলোচনা হয়।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল গতকাল রোববার বলেন, ‘খুব আশাবাদী ছিলাম প্রতিষ্ঠানগুলো শেয়ারবাজারে আসবে। রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। পর্ষদ নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত নেয় বলে কাজটা হয়নি।’

সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে সিদ্ধান্ত দেওয়ার পরও সরকারি প্রতিষ্ঠানের পর্ষদের কী সাধ্য আছে তা অমান্য করার, এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘তারা না-ই আসতে চাইতে পারে। তবে বিকল্প হিসেবে আমরা এবার আইন সংশোধন করে তাদের বাজারে আসতে বাধ্য করতে পারি।’

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সরকারি কোম্পানির শেয়ার ছাড়া নিয়ে প্রথম সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল ২০০৫ সালের মাঝামাঝিতে বিএনপি আমলের প্রয়াত অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে। ৬৬টি কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠান তখন চিহ্নিত করা হয়। এরপর ২০০৫ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে পাওয়ার গ্রিড, ডেসকো, তিতাস গ্যাসসহ পাঁচটি কোম্পানি তালিকাভুক্ত হয়।

২০১০ সালের জানুয়ারিতে আওয়ামী লীগ আমলের অর্থমন্ত্রী প্রয়াত আবুল মাল আবদুল মুহিত তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৬৬ থেকে ২৬টিতে নামিয়ে আনে। কোম্পানিগুলোকে ছয় মাসের মধ্যে শেয়ার ছাড়ার প্রস্তুতি নিতে বলা হয়। এরপর বাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্‌লস। আর পুনরায় প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (রিপিট আইপিও) মাধ্যমে শেয়ার ছেড়েছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি)।

যেসব কোম্পানির শেয়ার ছাড়ার সিদ্ধান্ত আছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে নর্থওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি, বাখরাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লি., গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি, জালালাবাদ গ্যাস সিস্টেম লি., বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লি., সোনারগাঁও হোটেল, ছাতক সিমেন্ট ফ্যাক্টরি, লিকুফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস লি., সিলেট গ্যাস ফিল্ড, পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লি., বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড লি. এবং রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লি.।

এ ছাড়া রয়েছে প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ, চিটাগং ডকইয়ার্ড, কর্ণফুলী পেপার মিলস, বাংলাদেশ ইনস্যুলেটর অ্যান্ড স্যানিটারিওয়্যার ফ্যাক্টরি, আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লি., ইলেকট্রিসিটি জেনারেশন কোম্পানি অব বাংলাদেশ লি., বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, টেলিটক, বাংলাদেশ কেব্‌ল শিল্প লিমিটেড ও টেলিফোন শিল্প সংস্থা।

ব্যাংক খাতের মধ্যে রয়েছে সোনালী, অগ্রণী, জনতা ও বিডিবিএল এবং ইতিমধ্যে তালিকাভুক্ত রূপালী ব্যাংকের আরও শেয়ার ছাড়া। জানা গেছে, টেলিটক, কর্ণফুলী পেপার মিল, বাংলাদেশ ইনস্যুলেটর ও স্যানিটারিওয়্যার, ছাতক সিমেন্ট কারখানাসহ কয়েকটি কোম্পানির শেয়ার ছাড়ার বিপক্ষে বিএসইসি।

বিএসইসি বাজারে আসার মতো কোম্পানিগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের (এমডি) সম্প্রতি আলাদা করে চিঠি পাঠিয়েছে। যেমন বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির এমডি শংকর মজুমদারকে পাঠানো এক চিঠিতে বিএসইসি বলেছে, ‘আপনার প্রতিষ্ঠানের বর্তমান মানদণ্ডের ক্রমাগত উৎকর্ষ অর্জন এবং রূপকল্প ২০৪১–এর বাস্তবায়নে বৈশ্বিক বাজারে পদার্পণের জন্য পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তি অতীব জরুরি।’

বিএসইসির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘আমরা তাগিদ দিয়েই যাচ্ছি। এবার কিছু কোম্পানির ইতিবাচক মনোভাব দেখা যাচ্ছে। আমরা আশাবাদী।’

বাখরাবাদ গ্যাসের এমডি শংকর মজুমদারকে গতকাল একাধিকবার মুঠোফোনে চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি বলে এ বিষয়ে তাঁর মন্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির বৈঠকে রাষ্ট্রমালিকানাধীন পাঁচটি ব্যাংকের শেয়ার ছাড়ার জন্য ওই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী।

এর মধ্যে রূপালী ব্যাংকের প্রায় ১০ শতাংশ শেয়ার বাজারে রয়েছে। নতুন করে এটির আরও ১০ শতাংশ শেয়ারবাজারে ছাড়তে চায় সরকার। এর বাইরে ধাপে ধাপে বাকি চারটি ব্যাংকেরও ২৫ শতাংশ শেয়ার বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। এ ঘোষণারও কোনো বাস্তবায়ন নেই।

সরকারি কোম্পানির তালিকাভুক্তি নিয়ে বিএসইসি চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলাম গত শনিবার এক গোলটেবিল বৈঠকে বলেন, অর্থমন্ত্রী চাচ্ছেন সরকারি কোম্পানিগুলো বাজারে আনতে, কিন্তু কোম্পানিগুলোর পর্ষদ চায় না। এসব কোম্পানির পরিচালনায় গতিশীলতা আনতে পর্ষদগুলো ভেঙে দেওয়া উচিত।